২৬ বছর পর দাউদ ইব্রাহিমের ছবি প্রকাশ

আপডেট : ০৮ জুলাই ২০১৯, ২২:০৪

১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ ভারতে সবচেয়ে বড় নাশকতা ঘটে। এদিন মুম্বাইয়ের বেশ কয়েকটি জায়গায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যার মূল হোতা হিসেবে নাম উঠে আসে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের নাম।

ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজের এক খবরে বলা হয়েছে, এই দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানেই লুকিয়ে আছেন, এমনটা বহুবার শোনা গেছে। একাধিকবার পাকিস্তান সরকার সেই দাবি খারিজও করেছে। কিন্তু এবার দাউদের একটি ছবি প্রমাণ করে দিল, ২৬ বছর ধরে একটানা মিথ্যা কথা বলে আসছে পাকিস্তান। দাউদ আসলে সেখানেই লুকিয়ে রয়েছেন!

‘সম্প্র্রতি ডি কোম্পানির ইন্টারন্যাশনাল নেটওয়ার্ক দেখভাল করা জাবির মোতিওয়ালার সঙ্গে দেখা করার সময় ক্যামেরাবন্দি হন দাউদ। সেই ছবি গুপ্তচরদের হাতে এসেছে। কিছুদিন আগেই দাউদের অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। কিন্তু এ ছবিতে দাউদকে একেবারে সুস্থ-স্বাভাবিক বলেই মনে হচ্ছে’,—বলা হয় খবরে। গুপ্তচরদের খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের করাচিতে গা ঢাকা দিয়েছেন দাউদ। কিছুদিন আগেই ব্রিটেন থেকে গ্রেফতার করা হয় জাবির মোতিওয়ালাকে। এফবিআইয়ের জেরার মুখে তিনি স্বীকার করেছিলেন, দাউদ পাকিস্তানেই রয়েছেন। তবে পাকিস্তান এখনো সেই দাবি অস্বীকার করে চলেছে।

এফবিআই দাবি করেছে, দাউদের সব থেকে কাছের লোক জাবির। দাউদ ও তার নেটওয়ার্কের যাবতীয় তথ্য রয়েছে জাবিরের কাছে। ভারতীয় গোয়েন্দা এজেন্সির দাবি, ডি নেটওয়ার্কের সঙ্গে পাকিস্তানের আইএসআইয়ের গোপন আঁতাত রয়েছে। এফবিআইয়ের তদন্তে উঠে এসেছে আরেক তথ্য। জাবিরের কাছে ব্রিটেনের ১০ বছরের ভিসা রয়েছে। সেই ভিসার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৮-এ। তবে গত কয়েক মাস ধরে জাবির অ্যান্টিগুয়া ও বারমুডার নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। যার জন্য দুবাইয়ের এক এজেন্সিকে ২ লাখ মার্কিন ডলার দিয়ে রেখেছিলেন জাবির। জানা গেছে, জাবিরকে বাঁচাতে লন্ডনের পাকিস্তানি হাইকমিশনও কাজ করছে। তাদের দাবি, জাবির একজন ব্যবসায়ী। তার সঙ্গে দাউদের কোনো যোগাযোগ নেই।