সেমিফাইনালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠেছে ইংল্যান্ড। ম্যাচে প্রথমে পিছিয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। তবে পেনাল্টি থেকে গোল করে ইংলিশদের সমতায় ফেরান হ্যারি কেইন। ম্যাচের এই পেনাল্টি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। ম্যাচ শেষে ভিডিও অ্যাসিস্টেন্স রেফারি (ভিএআর) এর কঠোর সমালোচনা করেছেন ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান।
ঘটনাটি ঘটে ম্যাচের ১৭ মিনিটে। এসময় বক্সের মধ্যে বল পেয়ে জোরালো শটে গোল আদায় করতে চান ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। কিন্তু তিনি বলে শট নিতে গেলে তা বুট দিয়ে প্রতিহত করতে যান ডাচ ডিফেন্ডার ডেনসেল ডুমফ্রিস। তবে তার পা বলে ছোঁয়ার আগেই কেইনের শটটি নেওয়া হয়ে যায়, আর ডুমফ্রিসের শটে পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা পেয়ে পড়ে গিয়ে কাতরাতে থাকেন কেইন।
এ ঘটনায় শুরুতে রেফারি ফাউলই দেননি। তবে কিছুক্ষণ ম্যাচ চলার পর খেলার মধ্যে বাঁ হাত ঢোকায় ভিএআর। রেফারিকে সাইডলাইনের টিভি রিপ্লে দেখতে বলা হয়। টিভি রিপ্লে দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
ম্যাচ শেষে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কোম্যান বলেন, ‘এটা পেনাল্টি হয় না। হ্যারি কেইন শটটা নিয়ে ফেলার পর দুজনের পায়ে সংঘর্ষ হয়। ওর (ডুমফ্রিস) পুরো মনোযোগ ছিলো শটটা ঠেকানোর দিকে। ভিএআরের এমন সিদ্ধান্ত খেলাটা ধ্বংস করে দিচ্ছে। ইংল্যান্ডকে এই পেনাল্টি উপহার দেওয়া উচিত হয়নি।’
এই পেনাল্টির সমালোচনা করেছেন সাবেক ইংলিশ ফুটবলার গ্যারি ন্যাভিল। তিনি বলেন, ‘একজন (সাবেক) ডিফেন্ডার হিসেবে আমি মনে করি, এটি একেবারেই লজ্জাজনক সিদ্ধান্ত।… সে (ডুমফ্রিস) স্বাভাবিকভাবেই শটটি প্রতিহত করতে গেছে। আমার দৃষ্টিতে এটি কোনো শাস্তি নয়। এটি পেনাল্টির ধারেকাছেও নেই। আমাকে বলতেই হচ্ছে, ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড়ও এটি (পেনাল্টি) হয়তো চাননি।’

