তৃতীয়দিনের মতো ঢাকা-চাপাইনবয়াবগঞ্জ রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করেছে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ও রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। এতে সারাদেশের সঙ্গে রাজশাহীর রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
শুক্রবার (১২ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেললাইন অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারাদেশে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদ ও কোটা সংস্কারের দাবিতে নানা স্লোগানে মুখরিত হন।
এ সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা তাদের একদফা দাবি পেশ করেন। তাদের দাবিটি হলো 'সরকারি চাকরিতে সকল পর্যায়ে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে মুক্তিযোদ্ধা, উপজাতি ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ন্যুনতম ৫% কোটা জাতীয় সংসদে বিল পাস করতে হবে।'
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, সরকারি চাকরিতে কোটার সংস্কার ও কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের হামলার প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ করেছি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা হলে ফিরে যাবে না। পুলিশ যদি হামলা চালায় তাহলে পাল্টা হামলা চালানো হবে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘আঠারোর হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা, সুযোগের সমতা’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাই নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। রাত ১০টা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন একাধিক সংগঠক।

