মাদক ব্যবসার বিরোধের জের ধরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নজরুল ইসলামকে (৫৫) গলাকেটে হত্যা করা হয়। মানিক ওরফে হান্নানকে গ্রেফতার করার পর এই হত্যার রহস্য উদঘাটন হলো। মানিক ওরফে হান্নানের দেওয়া তথ্য মোতাবেক সোমবার (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) সার্কেল এএসপি আলমগীর হোসেন, আদমদীঘি থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী অফিসার আব্দুর রাজ্জাক অভিযান চালিয়ে নিহত নজরুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও হত্যায় ব্যবহৃত লাঠি উদ্ধার করে।
নিহত নজরুল ইসলাম মন্দিরপুকুর গ্রামের সখিন সরদারের ছেলে ও বগুড়ার আদমদীঘির চাঁপাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক।
আদমদীঘি থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানায়, নজরুল ইসলামের সাথে বাহাদুরপুর গ্রামের আফাজ উদ্দীনের ছেলে মাদকব্যবসায়ী আইয়ুব হোসেনের মাদকব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আইয়ুব আলী ইয়াবা কিনতে চেয়ে গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে নজরুলকে ডেকে নেয়। নজরুল ইসলাম ইয়াবা দেওয়ার জন্য ধান ক্ষেতের মধ্যে গেলে কোন কিছু বুঝে উঠার আগে আইয়ুব আলী তার ভাই বকর ও মানিক ওরফে হান্নান পিছন থেকে লাঠি দিয়ে নজরুলের মাথায় আঘাত করে মাটিতে ফেলে গলা কেটে হত্যা করে। পরের দিন সকালে স্থানীয়রা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেন।
এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই শাহজাহান বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা উল্লেখ করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রবিবার মানিককে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মানিকের দেওয়া তথ্য মোতাবেক নজরুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন আইয়ুব আলীর টয়লেট থেকে ও হত্যা করার ব্যবহৃত লাঠি বহুডুরী পুকুর থেকে উদ্ধার করে।
ইত্তেফাক/বিএএফ
