জঙ্গি দমনে বিএসএফ চান না অমিত শাহ

আপডেট : ০৯ জুলাই ২০১৯, ২১:৪২

যার যা কাজ, সেটাই ভালো করে করতে হবে। অন্য কাজে মন দেওয়ার দরকার নেই। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বসে এমন নীতিই নিয়েছেন অমিত শাহ। সেই ধাক্কায় বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বিএসএফের সাতটি অ্যাডহক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। তার মধ্যে কয়েকটি কেন্দ্র গড়া হয়েছিল উগ্রপন্থা দমনে বিএসএফের জওয়ানদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার

বিএসএফ সূত্রের খবর, দেশের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চান, সীমান্তরক্ষী বাহিনী সীমান্ত রক্ষার কাজটাই নিপুণভাবে করুক। জঙ্গি দমন বা মাওবাদী দমনের কাজে বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠার দরকার নেই তাদের। জঙ্গি দমন বা মাওবাদী দমনের অভিযান চালানোর দায়িত্ব যে-সব বাহিনীর ওপরে ন্যস্ত আছে, তারাই সেই কাজ করবে। সেই হিসেবে সিআরপি, এনআইএ, বিশেষ বাহিনী হিসেবে গড়া কোবরা, গ্রে-হাউন্ড এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনীর হাতেই থাকবে জঙ্গি দমনের কাজ। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনীসহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থার গোয়েন্দা বিভাগের অপারেশন বিভাগও তা করতে পারে।

মিজোরামে ভ্যারাংটেতে ভারতীয় সেনার জঙ্গল-যুদ্ধ ও জঙ্গি দমনের আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের খবর, মাওবাদী এলাকায় কাজ করার জন্য বিএসএফ বেঙ্গালুরুর কারাহাল্লিতে কাউন্টার ইনসারজেন্সি অ্যান্ড অ্যান্টি টেররিজম স্কুল খুলতে ১৪০ কোটি টাকা চেয়েছিল। ২৭৫ জনকে নিয়োগের প্রস্তাবও দেয় ঐ সংস্থা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সেই ফাইল দেখে তা বাতিল করে দেন অমিত শাহ। বিএসএফ-এর ধরনের অন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রও বাতিল করে দেন অমিত শাহ।