শর্ট স্টোরিজের বড় গল্প

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০২৪, ২১:২৬

'নিত্যদিনের সুন্দর গল্পগুলো একসাথে জমিয়ে রাখার প্রত্যয়ে আমাদের পথচলা', এই স্লোগানে যাত্রা শুরু হয় শর্ট স্টোরিজের। করোনাকালীন সময়ে যখন সবার চোখেমুখে ভয়, ভবিষ্যতের চিত্র যখন নিছকই কল্পনা, তখন অনলাইনে সবাইকে উৎসাহ ও প্রেরণা দেওয়ার তাগিদ থেকে প্লাটফর্মটি তৈরি করেন আরিফ হাসান। তিনি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। এ পর্যন্ত ফেসবুকে শর্ট স্টোরিজের অনুসারী ৩ লাখ।

শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিনিয়তই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, অলিম্পিয়াড, ইন্টার্নশিপ, চাকরি ও সাফল্য-ব্যর্থতার গল্প পৌঁছে দিচ্ছে এই প্ল্যাটফর্ম। এছাড়াও টেক ওয়ার্ল্ড থেকে শুরু করে পারসোনাল ডেভেলপমেন্ট, ক্যাম্পাস লাইফ থেকে শুরু করে বিদেশে উচ্চশিক্ষা; সবকিছুই থাকে শর্ট স্টোরিজের ফ্রেমে। ইউটিউবে নিয়মিত বিভিন্ন সাক্ষাৎকারসহ অনুপ্রেরণামূলক কন্টেন্টও প্রকাশ করে প্লাটফর্মটি।

নিজ চেষ্টা ও সংগ্রাম দিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে উঠে আসা বাংলাদেশি শিক্ষার্থী যারা বিশ্বের নামীদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন ও গুগল, মাইক্রোসফট, ইনটেলের মতো টেক জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতে কাজ করেন, তাদের গল্পও উঠে আসে শর্ট স্টোরিজের কনটেন্টে। এ পর্যন্ত দেড় হাজার মানুষের গল্প তুলে ধরা হয়েছে সেখানে।

আরিফ হাসানের আরও দুই উদ্যোগ হলো ‘Ed mentors’ ও  ‘একটুখানি মানবতা’। Ed mentors-এর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১২ হাজার শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন বিষয়ে গাইডলাইন প্রদান করা হয়েছে। অন্যদিকে ‘একটুখানি মানবতা’ এক হাজারেরও বেশি পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আরিফ জানান, 'দেশের তরুণ প্রজন্ম আর বাইরে উচ্চশিক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের এমন এক বিশাল কমিউনিটি আমরা তৈরি করতে চাই, যার প্রভাব দেশের প্রতিটি গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়বে।'

ইত্তেফাক/এসটিএম