সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) সংবাদদাতা
সাটুরিয়া উপজেলা খাদ্য গুদামে সরকারি ধান সংগ্রহ অভিযানে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত করে ধান ক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্য দামে ধান বিক্রি করতে না পারলেও শতাধিক কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও কৃষিকার্ড ব্যবহার করে ধান সংগ্রহের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছে একটি সিন্ডিকেট।
সরেজমিনে গতকাল বুধবার দেখা যায়, কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক একাউন্ট খোলা ও কৃষি কার্ড প্রাপ্তকারী উপজেলার বেংরোয়া গ্রামের ঠান্ডু বেপারির ছেলে মো. বাবলু দুই টন, হরগজ গ্রামের আব্দুল আজিজ মিয়ায় ছেলে আনোয়ার হোসেন দুই টন, গওলা গ্রামের নুর বকসের ছেলে মো. শাহজাহান এক টন ও মালশী গ্রামের মো. খোকন মিয়ার ৭৫ মণ ধান নিয়ে এসেছে খাদ্য গুদামে সরবরাহ করা জন্য। তাদের ধান গ্রহণ করা হবে না বিদায় বাধ্য হয়ে ধান ফেরত নিতে হয়েছে।
এ ব্যাপারে কৃষিকার্ড প্রাপ্তকারী উপজেলার বেংরোয়া গ্রামের মো. বাবলু, হরগজ গ্রামের আনোয়ার হোসেন, গওলা গ্রামের মো. শাহজাহান ও মালশী গ্রামের মো. খোকন মিয়া বলেন, খাদ্য গুদাম থেকে আমাদের ধান সরবরাহ করার জন্য বস্তা প্রদান করেন। বস্তা ভরে ধান দেওয়ার জন্য আসলে আমাদের ধান না নিয়ে বলেন, ধান সংগ্রহ করা শেষ আর ধান নেওয়া যাবে না।
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমাদের ২৬ টাকা কেজি দরে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে ৫০৯ টন। এ যাবত্ সংগ্রহ হয়েছে ৫০৯ টন। একজন কৃষক একটি কৃষিকার্ডে সর্বোচ্চ দুই টন ধান বিক্রি করতে পারবে। তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাটুরিয়ায় কোনো সিন্ডিকেট হয়নি। কৃষিকার্ড ব্যবহারকৃত কৃষকরাই ধান সরবরাহ করেছে।
