বীজ ও সার সংকট সহ নানা প্রতিকূলতাকে পিছনে ফেলে বগুড়ার শেরপুরে আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। যেন এতটুকু দম ফেলানোর ফুসরত নেই তাদের।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার মেট্রিক টন কিন্তু বাস্তবে এর চাইতে অনেক বেশি পরিমাণ জমিতে আলু রোপণ করা হয়েছে। গতবছর আলু চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ার ফলে এবারো দ্বিগুণ উত্সাহে আলু চাষে ঝুঁকে পড়ে কৃষকরা। ফলে দেখা দেয় বীজ ও সার সংকট। তারপরেও দমে যাননি কৃষক। যে যেভাবে পারেন দ্বিগুণ দাম দিয়ে হলেও বীজ সংগ্রহ করে আলু রোপণ করেছেন। তারা অল্পদিনের মধ্যেই কিছু কিছু জমির আলু উঠিয়ে বাজারজাত করতে পারবেন।
শালফা গ্রামের কৃষক গোলাম মোস্তফা জানান, আমি ২ বিঘা জমিতে আগাম আলু চাষ করেছি। এক মাসের মধ্যেই জমি থেকে উঠিয়ে বাজারজাত করতে পারবো। আশাকরছি এবার ভাল দামে বিক্রি করতে পারবো।
খিকিন্দা গ্রামের মিজান, ইকবাল, বাবলু ও শাহজামাল কামাল জানান, সবেমাত্র আমাদের জমিতে আলু বীজ রোপণ শেষ হয়েছে। এবার বীজ ও সারের দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেশি পরবে। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে তবে ফলন বেশি পাব বলে আশা করছি।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. ফারজানা আকতার বলেন, সংকট কাটিয়ে কৃষকরা আলু রোপণ প্রায় সমাপ্ত করেছেন। তিনি আরও বলেন পূর্বাঞ্চলের কিছু কৃষক মৌসুমের শুরুতেই আলু রোপণ করেছিল যেগুলো আস্তে আস্তে বাজারে আসছে।

