মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, দেশে দুই ধরনের রাজাকার আছে। সক্রিয় রাজাকার ও নিষ্ক্রিয় রাজাকার। পাকিস্তানি শাসকদের হুকুমে অনেক স্থানীয় নেতা বিভিন্ন জনের নামের তালিকা বানিয়ে জমা দিয়েছেন। এদের অনেকে জানতেনও না যে তাদের নাম রাজাকারের তালিকায় আছে, এরাই নিষ্ক্রিয় রাজাকার। আর সক্রিয় রাজাকার পাকিস্তানের দোসরদের হুকুম তালিম করে বাংলাদেশের মানুষকে অবর্ণনীয় নির্যাতন করেছে। গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউদ্দিন স্মৃতি পরিষদ’ আয়োজিত ‘একাত্তরে সুন্দরবন’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. জাকির হোসেন।
বইটির লেখক মুক্তিযোদ্ধা আবু জাফর জব্বার। মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউদ্দিন স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম মল্লিকের (মান্না) সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট পাখি বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল ওয়াদুদ, মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ডের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ সালাম খান, কৃষক-শ্রমিক পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিন কামাল, মুক্তিযোদ্ধা এবিএম গোলাম কাদির (জিকে বাবুল), খান এনায়েত করিম, গোলাম মোস্তফা বাচ্চু প্রমুখ।
বইটি নিজের কাজের জন্য উপকারে আসবে জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, আমরা রাজাকারের তালিকা করার উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এই বইয়ে বেশ কিছু রাজাকারের তালিকা আছে, এটা মন্ত্রণালয়র কাজে আসবে। চারদলীয় জোট সরকারের আমলে নিজামী- মোজাহিদরা স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে রাজাকারদের তালিকা সরিয়ে নষ্ট করে গেছে। এ কারণে আমাদের তালিকা পেতে সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে রাজাকারদের ভাতা দেওয়া হতো। সেই ভাতাপ্রাপ্ত রাজাকাররাই প্রকৃত রাজাকার।
