পাবলিক টয়লেট হয়ে গেলো ‘পথের দাবি’

আপডেট : ১৬ জানুয়ারি ২০২৫, ২২:৫৩

রাজধানীতে এখনও পর্যাপ্ত সংখ্যক মানসম্মত পাবলিক টয়লেট গড়ে ওঠেনি। জনসংখ্যার তুলনায় পাবলিক টয়লেটের সংখ্যা কম। পুরাতন পাবলিক টয়লেটের মানও খুব খারাপ। পুরুষরা কোনোভাবে এসব টয়লেট ব্যবহার করতে পারলেও নারী ও শিশুরা ব্যবহার করতে পারছেন না। এতে তারা বাইরে বের হয়ে অস্বস্তিতে পড়েন। এর ঠিক উল্টো ধারণা দিতে পাবলিক টয়লেটের নামকরণ করা শুরু করেছে ওয়াটার এইড বাংলাদেশ। তারা এটিকে বলছে- ‘পথের দাবি’। আর এই ক্যাম্পেইনের প্রতিপাদ্য হলো ‘চলতি পথে টয়লেট হোক শান্তির জায়গা’। এলাকাভিত্তিক পাবলিক টয়লেটগুলোকে দেওয়া হচ্ছে আলাদা আলাদা নাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় পাবলিক টয়লেট নিয়ে এই ভিন্ন উদ্যোগের উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মঈন উদ্দিন। এ সময় আরও ছিলেন– প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান, ওয়াটার এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহানসহ অন্যান্য কর্মকর্তা।

বেসরকারি সংস্থা ওয়াটার এইড জানায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনার পাবলিক টয়েল্ট আছে ২৩টি। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার ১২টি টয়েলেটের নামকরণ করা হয়েছে। এক এক এলাকার টয়লেটের নাম ভিন্ন।

গুলশান-২ ডিসিসি মার্কেট সংলগ্ন পাবলিক টয়লেটকে ‘গুলবাগিচা টয়লেট’, তেজগাঁও সাত রাস্তা টিএনটি গেট পাবলিক টয়লেটকে ‘তেজী টয়লেট’, মহাখালী ওয়াসা রোড পাবলিক টয়লেটকে ‘মায়াকানন টয়লেট’, নাবিস্কো হাজী মরোন আলী রোড পাবলিক টয়লেটকে ‘নন্দন টয়লেট’, ফার্মগেট আনন্দ সিনেমা হল পাবলিক টয়লেটকে ‘আনন্দ টয়লেট’, ফার্মগেট ইন্দিরা রোড পাবলিক টয়লেটকে ‘একান্ত টয়লেট’, শ্যামলী পার্ক পাবলিক টয়লেটকে ‘শুচি টয়লেট’, ঢাকা চিড়িয়াখানা রোড পাবলিক টয়লেটকে ‘টাইগার টয়লেট’, মিরপুর ১২ নম্বর বাস স্ট্যান্ড পাবলিক টয়লেটকে ‘মুহূর্ত টয়লেট’, উত্তরা আজমপুর বাসস্ট্যান্ড পাবলিক টয়লেটকে ‘আপন টয়লেট’, গাবতলী বাস টার্মিনাল পাবলিক টয়লেটকে ‘গালিচা টয়লেট’ এবং মোহাম্মাদপুর ইমব্যাংকমেন্ট লিংক রোড পাবলিক টয়লেটকে ‘সংযোগ টয়লেট’ নামকরণ করা হয়েছে।

ইত্তেফাক/এনএন