প্রকৃতি আর পর্যটনের অসাধারণ সমন্বয় মারমেইড বিচ রিসোর্ট

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৫:০৫

পরিবেশ, প্রকৃতি আর পর্যটনের এক অসাধারণ সমন্বয়ের নাম মারমেইড বিচ রিসোর্ট। কক্সবাজার সাগরতীরে পরিবেশ বান্ধব পর্যটনের শুরু মারমেইডের হাত ধরেই।

রিসোর্টের স্থাপত্যে শতভাগ স্থানীয় উপকরণ ও ইকো-ফ্রেন্ডলি কাঠামো ব্যবহার করা হয়েছে। যার সুবাদে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অটুট রাখার পাশাপাশি আধুনিক সুযোগ-সুবিধাও নিশ্চিত করে। সৌরশক্তির মাধ্যমে আলোকসজ্জা পরিচালনা, বৃক্ষরোপণ প্রকল্প এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব নীতির প্রয়োগ রিসোর্টটির টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

মারমেইড ইকো টুরজিম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনিসুল হক চৌধুরী সোহাগ বলেন, "আমাদের প্রতিটি স্থাপনা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ কোনভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয়। প্রতিটি স্থাপনা এমনভাবে তৈরি যেন চারপাশের জীববৈচিত্র্য কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। মারমেইডের কোন স্থাপনার উচ্চতাই আশপাশের গাছ- গাছালির চেয়ে বেশি নয়। যাতে চারপাশের প্রকৃতি থাকে চির সবুজ।

মারমেইডের সব খাবারের উপাদান সংগ্রহ করা হয় স্থানীয়ভাবে। এ কারণে গ্রামের মানুষ বিশেষ করে মেয়েরা তাদের উৎপাদিত ফসল বা সবজি বিক্রি করে সহজে স্বাবলম্বী হতে পারেন।

রিসোর্টের প্রতিটি কাঠামো নির্মাণে স্থানীয় উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। সৌরশক্তি চালিত আলোকসজ্জা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

রিসোর্টে অতিথিদের জন্য রয়েছে পরিবেশবান্ধব কটেজ, যা স্থানীয় বাঁশ, পুরনো জাহাজের কাঠ, মাটিও অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। কটেজ তৈরিতে কাজ করেন স্থানীয় মানুষরাই।

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার এই প্রচেষ্টায় মারমেইড বিচ রিসোর্ট কেবল দেশের পর্যটকদের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের পরিবেশপ্রেমীদের কাছেও এক আদর্শ গন্তব্যর নাম।

ইত্তেফাক/এএইচপি