কক্সবাজারের টেকনাফে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সীমান্তরক্ষী বিজিবির সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে নারীসহ তিন মাদক পাচারকারী নিহত হয়েছে। এতে পুলিশ-বিজিবির তিন সদস্যও আহত হন। অপর দিকে পাহাড়ে গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ থাকা এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, গতকাল বুধবার ভোরে উপজেলার জাদিমোরা সংলগ্ন শিকলঘেরা পাহাড় এলাকায় পুলিশের সঙ্গে মাদক কারবারিদের গোলাগুলির পর পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশি করে অস্ত্র, ইয়াবাসহ ছমি উদ্দিনের স্ত্রী হামিদা বেগমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন।
অপর দিকে মঙ্গলবার রাতে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের জওয়ানেরা মাদকের চালান খালাসের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাদিমোরা সংলগ্ন শিকলপাড়ায় অবস্থান নেয়। এসময় মাদক কারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গুলিবর্ষণ করলে বিজিবির নায়েক মো. রেজাউল, সিপাহি মো. মতিউর রহমান ও ইমরান হোসেন আহত হন। বিজিবিও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছোড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি দেশীয় অস্ত্র, তিনটি কার্তুজসহ দুই জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এরা হলো যশোরের শুক্কুর আলীর পুত্র জাবেদ মিয়া ও চাঁদপুরের রেজোয়ান সওদাগরের পুত্র আসমাউল সওদাগর। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিত্সার জন্য কক্সবাজারে নেওয়ার পথে তারা মৃত্যুবরণ করে।
এছাড়া গতকাল সকালে হ্নীলা রঙ্গিখালী পাহাড় থেকে মৃত আব্দুস সাত্তারের পুত্র আবুল হাশেমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি গরু চরাতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজনের ধারণা, হূদেরাগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন।
