‘নো এন্ট্রি’ বোর্ডটা বানাবার সময় নিশাত মৃদু আপত্তি তুলেছিল। বলেছিল,
: এটার কী দরকার, এটা কি অফিস যে ‘নো এন্ট্রি’ লিখব? আমার বাড়িতে যে আসবে, সে তো আমি অ্যালাউ করলেই আসবে। তাকে ‘নো এন্ট্রি’ দেবার তো কিছু নেই।
রাহাত বলেছিল,
: দরকার আছে। ধরো এমন কেউ এল তুমি চাও না সে আসুক। তখন এটা কাজে লাগবে।
: কীভাবে কাজে লাগবে? কে এসেছে না দেখে আমি কী করে ‘নো এন্ট্রি’ দেবো? আর না বলে কয়ে তো কেউ আসবে না।
: আসতেও তো পারে। আমি চাই না তোমার চারপাশে কেউ ঘুরঘুর করুক। অনেকে যে উঁকিঝুঁকি মারে তা কি আমি বুঝি না? ওই যে সিনেমার ওই লোকটা, তারপর ওই যে এনজিওর লোকটা। ওরা এলে ওদের ঠেকাতে এটা কাজে লাগবে।
: তাহলে তো এটা সবসময় দরজায় ঝুলিয়ে রাখতে হবে আর সবাই নো এন্ট্রি হবে। বাদ দাও তো।
এ কথাটা নিশাত মুখে বলে। মনে মনে বলে, সিনেমার ডিরেক্টর আর এনজিওর মালিকের কথা রাহাতকে বলা মোটেও ঠিক হয়নি। রাহাত বড়ো হিংসুটে। নিশাতের সঙ্গে কেউ কথা বলুক এটা পর্যন্ত ও সহ্য করতে পারে না। একদিন তো গাড়িতে পরিচালক সাহেবের ফোন আসায় তুলকালাম করে ফেলেছিল। আর একটু হলে গাড়ি থেকে নেমে যেত। পাগল লোকটা এত ভালোবাসে ওকে! এত ভালো কি কেউ কাউকে বাসতে পারে! একজনই পারে, সে রাহাত। নিজেকে বড্ড গর্বিত মনে হয় নিশাতের। রাজহংসীর মতো গ্রীবা উঁচু হয়ে ওঠে ওর ভালোবাসার অহংকারে।
তখন ওরা দুজনে একসঙ্গে সব জায়গায় যেত। ওদের একসঙ্গে দেখতে দেখতে সবাই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিল। রাহাত সেদিন ওর কথা শোনেনি। বোর্ডটা বানিয়েছিল। তবে নেমপ্লেটের উল্টোপিঠে লিখেছিল ‘নো এন্ট্রি’। যাতে দেখা না যায়। নিশাত বিরক্ত হয়ে বলেছিল,
: নেমপ্লেটের উল্টোপিঠেই যদি লেখা থাকে, যাকে এন্ট্রি দিতে চাচ্ছি না সে দেখবে কী করে?
: দেখবে। এটা মনের ব্যাপার। যাকে তুমি চাও না, সে তোমার দরজায় এলে ওটা অটোমেটিক উল্টে ‘নো এন্ট্রি’ হয়ে যাবে। মিলিয়ে নিও।
: যত্তসব! একি পরাবাস্তব গল্প নাকি যে এমনিতেই উল্টে যাবে?
: যাবে যাবে, জীবনে অনেক কিছু ঘটে যা গল্পকেও হার মানায়।
নিশাত আর কিছু বলেনি। মনে মনে বলেছে, ওটা একটা পাগল। এটা ওর একটা পাগলামি। রাহাতের এমন অনেক পাগলামিই নিশাতকে সহ্য করতে হয় হাসিমুখে। ওর দাবি মারাত্মক, যা এড়ানো নিশাতের পক্ষে সম্ভব না। আর এড়াবেই বা কেন, দুটো মানুষ যদি পরস্পরকে ভালোবেসে তিরিশ বছর কাটিয়ে দিতে পারে, সেটা কি জীবনের জন্য কম কিছু। রাহাত তো প্রায়ই বলে, ‘বিয়ে এতদিন টেকে না’। কথা সত্যি। রাহাতেরও প্রথম বিয়েটা টেকেনি। আট বছর প্রেমের পরে বিয়ে। এক বছরও টিকল না। রাহাত অবশ্য এজন্য তার পরিবারকে দায়ী করে। আর যে বউয়ের সঙ্গে সে আছে, যার সঙ্গে ৫০ বছর পার করে মাথায় পাগড়ি আর ঝলমলে শেরোয়ানি পরে ক্লাউনদের মতো ভাঁড়ামোপূর্ণ অনুষ্ঠান করেছে, সেটা নাকি লোক দেখানো, বউ ছেলে মেয়ের চাপে।
রাহাতের একটাই কথা, ওরা নাকি লাগাতার টর্চার করে। তাই একবাড়িতে থাকে বটে, কিন্তু কোনো সম্পর্ক নেই বউয়ের সঙ্গে। ‘সম্পর্ক’ বলতে কী বোঝায় রাহাত, তা নিশ্চিত বুঝেছে নিশাত। প্রেমটাও হয়েছে এ কারণেই। রাহাতের অসহায়ত্ব, ওর কষ্ট, ওর ওপর নির্যাতনের কথা দিনের পর দিন নিশাতকে বলেছে। অ্যাপিল করেছে। একসময় ওর অ্যাপিল, ওর একাগ্রতা দ্রবীভূত করে ফেলেছিল নিশাতকে। ওকে যে সত্যি টর্চার করে সে প্রমাণও পেয়েছে অনেকবার। মাঝরাতে বাপকে ঘুম থেকে তুলে কুকুর কামড়ানোর ওষুধ আনা থেকে শুরু করে দোকানের উল্টোপাশে গাড়ি থামিয়ে বাপকে পাঁচ মাইল দূর থেকে ছুটিয়ে নিয়ে এসে ওষুধ কিনে হাতে পৌঁছে দিতে বাধ্য করেছে মেয়ে। মেয়ে নিজে গাড়ি চালিয়ে চলে গেছে আর বাপ হেঁটে হেঁটে ফিরেছে। দেখেছে নিশাত। ছেলে সারারাত সিগারেট ফুঁকেছে, মেয়ে সাজগোজে ব্যস্ত থেকেছে, বউ বছর বছর বেহালা প্রাকটিস করে একই জায়গায় থেকে গেছে আর সব সবকিছু একাই সামলেছে রাহাত। সামলাতে বাধ্য হয়েছে। মেয়ে, ছেলে, তাদের মা বেঘোরে ঘুমিয়েছে আর নাতনি দুটিকে নিয়ে সাতসকালে স্কুলে ছুটতে হয়েছে ওই রাহাতকেই। স্কুলে দিয়ে গাড়ির তেল বাঁচানোর জন্য ফিরে না গিয়ে লেকের ধারে বসে থাকতে হয়েছে রাহাতকেই। তখন অনেকদিন নিশাতের বাড়িতে চলে এসেছে রাহাত। আবার ঘড়ি ধরে পৌঁছেছে নাতনিদের স্কুলের সামনে। এটা কেমন জীবন, কিসের জীবন! দেখেছে আর কষ্ট পেয়েছে নিশাত। ওর জন্য মমতায় বুক ভরে উপচে পড়েছে। আহারে, কোনোদিন রাহাতকে কেউ এক পেয়ালা চা বা এক প্লেট নাস্তা বানিয়ে দেয়নি! শুধু কি তা-ই, পানের থেকে চুন খসলে রাতে ঘুমানোর সময় মাথার নিচ থেকে বালিশ কেড়ে নিয়েছে। মশারি দেয়নি। ঘুমাতে হয়েছে বারান্দায়। এমন অনেক ঘটনা বলেছে রাহাত।
একসময় ছেলেটা ‘পেটিকোট’ ভিসা নিয়ে বয়সে বড় এক মেয়েকে বিয়ে করে বিদেশে গিয়ে বেঁচেছে। বাপ-মাকেও বাঁচিয়ে দিয়েছে। এদেশের কোনো মেয়ে বেকার ছেলেকে বিয়ে করত না। মেয়ের ডিভোর্স হয়ে গেছে। হবেই তো, কোন পুরুষ অত অত্যাচার সহ্য করবে! মেয়ের আর তার মায়ের আধিপত্য মেনে নেবে! আরেকটি মেয়ে ডিভোর্সের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বিদেশে থাকার কারণে। নাহলে একই ঘটনার যে পুনরাবৃত্তি ঘটত তাতে কোনো সন্দেহ অন্তত নিশাতের নেই।
রাহাতের জন্য মমতা ভালোবাসা বেদনায় পূর্ণ হয়ে থাকে নিশাতের মন প্রাণ। নিশাতের বাকবাকুম ডাকা আর মানিপ্ল্যান্ট দোলা ঘরে রাহাত তাই অতিথি নয়। রাহাত একদিন ওর হাতে আংটি পরিয়ে বলেছিল, ‘কবুল করলাম, গ্রহণ করলাম’। কিন্তু ওটা নিশাতের জন্য বড়ো কোনো কথা নয়। তিরিশ বছর জীবনের এক লম্বা সময়, এক দুঃখী পুরুষ যদি এক নারীকে জড়িয়ে থাকে একাগ্রতায়, তার জন্য ভালোবাসার বান তো ডাকবেই মনে। তাই প্রতি শুক্রবার ভালোমন্দ রান্না করে নিশাত। নিজ হাতে তুলে তুলে খাওয়ায় রাহাতকে। ওর খাওয়া দেখলে চোখে পানি আসে নিশাতের। বোঝা যায় ও কোনোদিন বাড়িতে পেট পুরে খেতে পারে না। তাই ওকে যথাসাধ্য খাওয়াতে চেষ্টা করে। আর রাহাতও অবধারিতভাবে প্রতি বিকেলে নিশাতের বাড়িতে আসে। বিকেল গড়িয়ে সন্ধে হয়, সন্ধে গড়িয়ে রাত। তারপর আস্তে আস্তে ওঠে। ওদের বিদায়পর্বটা দীর্ঘ হয়। রাহাত কিছুতেই শেষ করতে চায় না, ওর মন ভরে না। একসময় বাধ্য হয় শেষ করতে।
তিনবার বাড়ি বদলেছে নিশাত। তিনবারই নিজের সুবিধাজনক অবস্থান খুঁজে নিয়েছে রাহাত। নিশাতের বাড়িতে তার আসা-যাওয়া এতটাই নিয়মিত যে, ড্রাইভার, বুয়া, সিকিউরিটি গার্ড সবাই রাহাতকে চেনে। ওকে দেখলেই লম্বা একটা সালাম ঠোকে। ভাবখানা এমন যেন এটা ওরই বাড়ি। আর রাহাতও সে ভাবটা ধরে রাখে।
ঘটনার পিঠে কত ঘটনা জন্ম নেয়। রাহাতের ক্যানসার ধরা পড়ে। চূড়ান্ত রিপোর্ট পাবার পর নিশাতকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে রাহাত। নিশাত ওকে সান্ত্বনা দিতে গিয়ে নিজেই কেঁদে ভাসিয়ে দেয়।
সেদিন নিশাতের জন্মদিন। অনেকটা সময় একসঙ্গে কাটিয়ে ঘরে ফেরে নিশাত। আর সেদিনই মাঝরাতে ফোন করে রাহাত। ৫,০০০ টাকার জন্য তার ওপর টর্চার হচ্ছে। টাকাটা হারিয়ে ফেলেছে ও। নিশাত কি ওকে টাকাটা দিতে পারবে? রাহাতের মেয়ের শ্যেন দৃষ্টি এড়িয়ে গভীর রাতে টাকা দেয় নিশাত। আর পরদিন সকালে ফোন করে জানতে পারে, রাহাত বউয়ের মুখের ওপর টাকা ছুড়ে দিয়ে স্কয়ার হাসপাতালের চেয়ারে বসে কাটিয়েছে সারারাত।
এরপর যা হবার তা-ই হয়। কপর্দকশূন্য রাহাতের জামাকাপড়, ওষুধ, ইনসুলিন, শেভিংকিটস এমনকি হাতের লাঠিটার পর্যন্ত ব্যবস্থা করে নিশাত। আর তখন একরাতে নিশাতের বেডরুমে টিভি দেখতে দেখতে রাহাত বলে,
: তুমি আমায় নতুন জীবন দিয়েছ। তুমি না থাকলে আমি সত্যিই মারা যেতাম এবার। আমি কোনোদিন এ কথা ভুলতে পারব না। আমি যদি ভুলি আমি মানুষ না। তুমি আমাকে ছেড়ে যাবে না তো? কথা দাও, কথা দাও। ওদের সঙ্গে আমি সম্পর্ক রাখব না। আমি লিখে দিয়ে যাব, আমার মৃত্যুর পর আমার ছেলে মেয়ে বউ যেন আমাকে মাটি না দেয়। সব ট্রাস্ট করে দিয়ে যাব। আহারে, তোমার ছেলেমেয়েরা এত ভালো। ওরাই আমার ছেলেমেয়ে।
একথা ঠিক নিশাতের বাচ্চাদের স্নেহ ভালোবাসা দিতে কোনোদিন কার্পণ্য করেনি রাহাত। দিন কেটে যায়। কেউ রাহাতের খোঁজ নেয় না। ক্যানসারের রোগী বয়স্ক মানুষটা মরল কি বাঁচল তাতে যেন কারোই কিছু আসে যায় না। দিন কয়েক পর যেন ম্যাজিক হয়। রাহাত সরকারি চাকরি করে অবসর নিয়েছিল দুই দশক আগে। তবে যোগাযোগে বরাবরই ভালো ছিল রাহাত। কিছুদিন ধরে জোরালো যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছিল। একটা বড় পোস্টে পদায়ন হয় ওর। এরপরই ফোন আসতে থাকে আমেরিকা, কানাডা থেকে। যে মেয়ে কুকুরের ওষুধ কেনায় সে ফোনে বলে, মা রান্না করে বসে আছে, বাড়ি এসো।
বাড়ি চলে যায় রাহাত। তারপর একদিন দু দিন। আস্তে আস্তে বদলে যায়। বিলাসবহুল জীবন, মোটা অঙ্কের বেতন, বিদেশ ভ্রমণ, বিনাপয়সার ব্যয়বহুল চিকিত্সা ওকে বদলে দেয়। বদলে দেয় ওর পরিবারকেও। কারণ ও এখন ডিমপাড়া রাজহাঁস। নিশাতের শুক্রবারের রান্না বন্ধ হয়। বন্ধ হয় ঘুরে বেড়ানো। ওকে একা দেখলেই সবাই অবাক হয়ে তাকায়, ও একা কেন? সম্পর্কটা ধরে রাখতে অনেক চেষ্টা করে নিশাত। পারে না। ফোন করলে রাহাত ধরে না, ফেসবুকে ব্লক করে।
আস্তে আস্তে গুটিয়ে যায় নিশাত। অসুখ-বিসুখ আগেই কিছু ছিল, এবার তা জাঁকিয়ে বসে। পায়ে ব্যথা পেয়ে অচল হয়ে পড়ে। ওজন কমতে কমতে কাঠি হয়ে যায়। সে খবরও পৌঁছায় রাহাতের কাছে। ও তাচ্ছিল্যভরে উত্তর দেয়, ‘ওর চেয়ে অসুখ আমার অনেক বেশি’। রাহাত পালা-পার্বণ-ঈদ এমনকি নিশাতের জন্মদিনটার কথাও ভুলে যায়! নিশাত চেষ্টা করে ওকে ভুলতে, পারে না। পারে না বলেই ওর অসুস্থতা বাড়ে। ডিপ্রেশন ওকে কুরে কুরে খায়। বন্ধুরা বলে, চুপ করে আছ কেন, প্রতিশোধ নাও। তোমাকে এভাবে মেরে ফেলার অধিকার তো ওর নেই। মানুষ এত বেইমান হয় কী করে! না হলে বলো, আমরা ব্যবস্থা নিই।’
নিশাত কিছু বলে না। ভালোবাসা প্রতিদান চায় একথাটা যেমন ঠিক, ভালোবাসা প্রতিহিংসা চায় না এটাও ঠিক। গুটিপোকার মতো গুটিয়ে যায় নিশাত। ওর নির্লিপ্ততায় বন্ধুরা একে একে সরে যায়। ও আরো একা হয়ে পড়ে। প্রতিরাতে ঘুমানোর আগে ভাবে, কাল সকালে ঘুম থেকে উঠব তো? ও অবিরাম প্রতীক্ষা করে চেনা পায়ের শব্দের, চেনা কণ্ঠের, চেনা গন্ধের। পায় না। রাহাতের লেখা চিঠিগুলো বের করে বারবার পড়ে্, আনমনা হয়ে যায়। তারপর একদিন চিঠি পড়া, উত্কর্ণ হয়ে থাকা বন্ধ করে। আর একসময় একটি চেনামুখ ঝাপসা হতে থাকে। ও মুখটা ওর আর দেখতে ইচ্ছে করে না। একদিন আংটিটা জাানালা দিয়ে ছুড়ে ফেলে।
দিন গড়ায়। নিশাত এখন একা বাঁচতে শিখেছে। সময়ের পালে ধীরে হাওয়া লাগলেও একসময় রাহাতের চাকরির মেয়াদ শেষ হয়।
সেদিন সকালেও বরাবরের মতো বাকুমবাকুম স্বরে ডাকছিল কবুতরগুলো। জানালা জোড়া মানিপ্ল্যান্টগুলো মৃদু দুলছিল। বিছানায় শুয়ে ছিল নিশাত। বেল বেজে ওঠে, একবার দু বার। নিশাতের উঠতে ইচ্ছে করে না। তিনবার বাজার পর ওঠে। ততক্ষণে অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে। আস্তে আস্তে দরজা খোলে। দরজার সামনে কেউ নেই। কে এমন বারবার বেল বাজাল! আর বাজালই যদি চলে গেল কেন? নিশাত ঘরে ঢুকছে তখনই ওর চোখে পড়ে উল্টে গেছে নেমপ্লেটটা। ‘নো এন্ট্রি’ লেখাটা যেন জ্বলজ্বল করে জ্বলছে। লাগাবার পর এতগুলো বছরে একবারও ওটা উল্টায়নি। ওই লেখাটার কথা তো ভুলেই গিয়েছিল নিশাত। নিশাত লম্বা করে শ্বাস টানে। একটা গন্ধ পায়। গন্ধটাও যেন আজ অজানা অচেনার ঘেরাটোপে বন্দি। যেই আসুক তাকে ‘নো এন্ট্রি’ দিয়েছে নিশাতের মন। ও ঘরে ফিরে আসে আর ভাবে, প্রতিশোধের জন্য পরজন্ম অবধি যেতে হয় না। প্রকৃতি এ জন্মেই পাওনা মিটিয়ে দেয়।
