মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, পরিকল্পিতভাবে গাজীপুরের উন্নয়নে সরকার ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে। শিগগিরই গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন পাশ করার মাধ্যমে পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। গাজীপুর সিটির ক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ৩ হাজার ৫০০ জনের জনবলও বৃদ্ধি করা হবে। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘আধুনিক গাজীপুরের উন্নয়নে চ্যালেঞ্জ ও করণীয় : জনপ্রতিনিধি ও পেশাজীবীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও গাজীপুর উন্নয়ন পরিষদের উপদেষ্টা শামসুন্নাহার ভূইয়া এমপির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য রাখেন গাজীপুর অফিসার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এম. আনিসুর রহমান মিয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বিআরটিএ’র সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুবুর রহমান খান, কালিয়াকৈর বরইবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ সোলায়মান সিকদার, পরিবেশবিদ মো. শহীদুল্লাহ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ বারী, প্রকৌশলী আফরোজা আকার নেলী, সাংবাদিক মঞ্জুর বারী মঞ্জু, রাশেদ আহমদ, এম এ সালাম শান্ত, শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. লোকমান হোসেন প্রমুখ। সংগঠনের আহ্বায়ক সাংবাদিক আতাউর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লায়ন গণি মিয়া বাবুল।
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ঢাকা থেকে গাজীপুরের যাতায়াত সহজ করতে বিআরটি প্রকল্পের মাধ্যমে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। ঢাকা-গাজীপুর সড়কের ওপর চাপ কমাতে বিকল্প রাস্তা নির্মাণ করা হবে। সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বনভূমি ও নদী রক্ষায় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ অন্যান্য হাসপাতালে শূন্য পদ পূরণ এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক নতুন পদ সৃষ্টি করে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।
গোলটেবিল বৈঠকে ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ গাজীপুরের সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস জাতীয়ভাবে উদ্যাপন, উক্ত প্রতিরোধ কমিটির আহ্বায়ক বর্তমান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপিকে বীর উপাধিতে ভূষিতকরণ এবং কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের নাম মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক আ ক ম মোজাম্মেল হকের নামে নামকরণের দাবি জানানো হয়।
