আফগানিস্তানে খেলতে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় বাফুফে

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯, ২১:২১

স্পোর্টস রিপোর্টার

কাতার ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল এবং ২০২৩ এশিয়ান কাপ ফুটবলের এশিয়া অঞ্চলের বাছাইয়ে বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে যুদ্ধপরিস্থিতির মধ্যে থাকা আফগানিস্তানও। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে পদ্ধতির খেলা বলে আফগানিস্তানেও খেলতে যেতে হবে বাংলাদেশকে। সেটাই এখন ভাবিয়ে তুলেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে।

এখনও প্রায় প্রতিদিনই আফগানিস্তানের কোনো না কোন জায়গায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই খেলছে আফগানরা। ফুটবল, ক্রিকেট— দুটিতে ক্রমশ আন্তর্জাতিক স্তরে নজরে পড়ার মতো উন্নতি করছে আফগানিস্তান।

আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ আফগানিস্তানের বিপক্ষে। বাফুফে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তাদের হোম ভেন্যুর কথা ফিফাকে জানাতে হবে।  সেক্ষেত্রে তারা কাবুলের ঘাজি ন্যাশনাল অলিম্পিক স্টেডিয়ামকে বেছে নিলে বাফুফে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলা যায় কিনা সে ব্যাপারে কথা বলবে।

বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাঈম সোহাগ জানিয়েছেন তারা কথা বলবেন। পরশু মালয়েশিয়া এএফসিতে এশিয়া অঞ্চলের ড্র অনুষ্ঠানে ছিলেন তিনি। সেখানে তিনি আফগানিস্তানের কোনো ফুটবল কর্মকর্তাকে দেখেননি।

তবে এই খেলাটি নিয়ে বাফুফে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। কারণ জেনে শুনে একটা বিপজ্জনক জায়গায় ফুটবলারদের ঠেলে দেয়া যায় না। আবার ফিফার সঙ্গে আলোচনা না করে পিছুটান দেওয়ারও সুযোগ নেই। ফিফা যে সিদ্ধান্ত দেবে সেটাই চূড়ান্ত।

এর আগে একবার পাকিস্তানে ফিফার ম্যাচ খেলতে যাওয়া নিয়ে দারুণ সংকটে পড়েছিল বাফুফে। বিষয়টা নিয়ে ফিফার সঙ্গে কথা বলে তৃতীয় কোনো দেশে ভেন্যু করার অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু ফিফা সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করলে বাংলাদেশকে সেখানে গিয়ে খেলতে হয়েছিল।

আফগানিস্তান অবশ্য রাশিয়া বিশ্বকাপে তাদের বাছাই পর্বের হোম ম্যাচটি খেলেছিল তেহরানে। অপরদিকে এশিয়া কাপের বাছাইয়ের জন্য তাজিকস্তানকে বেছে নিয়েছিল হোম ভেন্যু হিসেবে। এবার দেখার পালা দেশটি আসন্ন লড়াইয়ের জন্য হোম ভেন্যু হিসেবে অন্য কোন দেশকে বেছে নেয় কিনা।