২৩ জেলার ৭৩ উপজেলাকে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ইসির

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০১৯, ২১:৪১

সারাদেশের ২৩টি জেলার ৭৩টি উপজেলাকে দুর্গম হিসেবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যোগাযোগে অসুবিধা ও ভৌগোলিকভাবে বিচ্ছিন্নতার বিবেচনায় ৭৩টি উপজেলাকে চিহ্নিত করে এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। মূলত ভোটার তালিকা প্রণয়নে তথ্য সংগ্রহ, নির্বাচন পরিচালনা-সংক্রান্ত কাজে ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং কাজের গতি বাড়ানোর জন্যই এই তালিকা করা হয়েছে। এই তালিকা প্রণয়নে ইসির নিজস্ব কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্যও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সাধারণ যেকোনো এলাকার চেয়ে দুর্গম এলাকায় প্রায় দেড় গুণ বেশি ব্যয় হয়। চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচিতেও এ হারেই ব্যয় করা হচ্ছে। আগে ৫৪টি উপজেলাকে দুর্গম হিসেবে   চিহ্নিত করা হয়েছিল। ইসির নির্বাচন সহায়তা শাখার সহকারী সচিব মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশে যে ৭৩টি উপজেলাকে দুর্গম বলে উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হলো ভোলার চরফ্যাশন ও মনপুরা; বরগুনার বেতাগী, পাথরঘাটা ও বামনা; বাগেরহাটের রামপাল, মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা; খুলনার বটিয়াঘাটা, পাইকগাছা, দাকোপ ও কয়রা; নোয়াখালীর হাতিয়া; চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ; কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়া; হবিগঞ্জের বানিয়াচং, আজমেরীগঞ্জ ও লাখাই; সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার, ধর্মপাশা, শাল্লা, জামালগঞ্জ, দিরাই, বিশ্বম্ভরপুর ও তাহেরপুর; কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম; বরিশালের হিজলা, মুলাদী ও মেহেন্দীগঞ্জ এবং সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা।

এছাড়া দুর্গম এলাকার তালিকায় রয়েছে নেত্রকোনার কলমাকান্দা, দুর্গাপুর ও খালিয়াজুরী; পটুয়াখালীর গলাচিপা, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী ও দশমিনা; সাতক্ষীরার আশশুনি ও শ্যামনগর; পিরোজপুরের কাউখালী, কুমিল্লার মেঘনা, কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুর; মানিকগঞ্জের হরিরামপুর, মাদারীপুরের শিবচর; খাগড়াছড়ির পানছড়ি, মহালছড়ি, মানিকছড়ি, মাটিরাঙ্গা, রামগড়, গুইমারা, লক্ষ্মীছড়ি; খাগড়াছড়ি সদর ও দীঘিনালা; বান্দরবানের থানচি, রোয়াংছড়ি, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ি; বান্দরবান সদর, রুমা ও লামা, রাঙ্গামাটির নানিয়ার চর, বরকল, বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি সদর, রাজস্থলী, লংগদু, কাউখালী, কাপ্তাই, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি উপজেলা।