আফতাবনগরে একই জায়গায় দুই সিটি করপোরেশন কোরবানির পশুর হাটের ইজারা দিয়েছে। এ নিয়ে সংঘর্ষের আশঙ্কায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে দুই মেয়রকে চিঠি দিয়ে কোনো হাট না বসাতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তারপরও দুই সিটি করপোরেশন পৃথকভাবে একই জায়গায় হাটের ইজারা দিয়েছে। এ নিয়ে ওই এলাকায় তুমুল উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। একইভাবে জনগণের চলাচলে বিঘ্ন না ঘটাতে আরমানিটোলায় পথের উপর হাট না বসাতে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনকে অনুরোধ করেছে পুলিশ। কিন্তু পুলিশের অনুরোধ তোয়াক্কা না করে সেখানেও বসেছে হাট।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইত্তেফাককে বলেন, আফতাবনগরে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত হতে পারে। জনবহুল এলাকার মধ্যে দুটি হাট বসানো হয়েছে। তাও আবার পাশাপাশি। একই গেট দিয়ে ঢুকতে ও বের হতে হয়। সেখানে হাট না বসাতে আমরা দুই মেয়রকেই অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের কোনো কথাতেই কর্ণপাত করছেন না। ফলে সেখানে যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাত হতে পারে। পাশাপাশি আফতাবনগরের জনগণের চলাচল দারুণভাবে বিঘ্ন হচ্ছে। গত ২৪ জুন পুলিশ কমিশনারের পক্ষে উপকমিশনার (অপারেশন) সাহেদ আল মাসুদ এই চিঠি দিয়েছেন।
এদিকে আরমানিটোলায় (সামসাবাদ) পথের উপর হাট না বসাতে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়রকে অনুরোধ করেছেন খোদ পুলিশ কমিশনার নিজেই। পুরনো ঢাকা ব্যবসার বড় একটা কেন্দ্র। পাশাপাশি ঈদে ঘরমুখী মানুষের চলাচল দারুণভাবে বিঘ্ন ঘটে। ফলে পথের উপর পশুর হাট না বসাতেই অনুরোধ কমিশনারের। গত সোমবার এই চিঠি দেওয়া হলেও গতকাল পর্যন্ত কোনো ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
