পায়ের ব্যবস্থা হয়েছে এবার হাঁটবে আয়েশা

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৯, ০০:১৯

ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের চাপায় চার বছর আগে ডান পা থেঁতলে যায় উপজেলার আগৈলঝাড়া দাখিল মাদ্রাসার অস্টম শ্রেণির ছাত্রী আয়েশা খাতুনের। সদর ইউনিয়নের আগৈলঝাড়া গ্রামের ওমর আলী শেখের মেয়ে আয়েশার  চিকিত্সার পর তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে কেটে বাদ দেন চিকিত্সকরা। এরপর থেকেই সে ক্র্যাচ দিয়ে চলাফেরা করতে শুরু করে। চিকিত্সকরা কৃত্রিম পা লাগানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু অভাব-অনটনের দায়ে কৃত্রিম পা লাগানোর টাকা জোগাড় করতে পারেননি আয়েশার দিনমজুর বাবা। মানবিক এ ঘটনাটি নিয়ে শনিবার ‘একটি কৃত্রিম পায়ের জন্য আয়েশার আকুতি’ শিরোনামে দৈনিক ইত্তেফাকে সংবাদ প্রকাশের পর দেশ-বিদেশ থেকে অনেকেই যোগাযোগ করে আয়েশার কৃত্রিম পা কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন, অনেকে টাকাও পাঠান।

আয়েশা খাতুন জানান, ইত্তেফাকসহ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদটি প্রকাশ হওয়ার পর দেশ-বিদেশ থেকে বহু হূদয়বান মানুষ যোগাযোগ করেন। অনেকেই কৃত্রিম পা কিনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কেউ কেউ বিকাশে টাকা পাঠিয়েছেন। সে সব টাকায় আমাকে নিয়ে সাভারের সিআরপি হাসপাতালে  যাবেন বাবা ও ফুফা। সেখানকার চিকিত্সকরা জানিয়েছেন কৃত্রিম পা লাগাতে প্রায় ৩০ হাজার টাকা খরচ হবে। টাকা জোগাড় না হওয়ার কারণে এতদিন পা লাগানো হয়নি, এবার সে প্রত্যাশা পূরণ হতে চলেছে।