পরিবেশ বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা এবং বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সিলেটের গোয়াইনঘাটের জাফলং এলাকায় অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রতিদিন রাতের আঁধারে শত শত কার্গো দিয়ে বালু ও পাথর উত্তোলন করছে স্থানীয় দুর্বৃত্তরা। এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা, পরিবেশ মন্ত্রণালয়, নদী কমিশনের চেয়ারম্যান, স্থানীয় জেলা প্রশাসক ,থানা নির্বাহী কর্মকর্তাদের শুরু করে সবার কাছে একাধিক বার অভিযোগ দেয়া সত্ত্বেও দৃশ্যত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি।
গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আকরাম খাঁ মিলনায়তনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের গোয়াইঘাট থানা শাখার নেতৃবৃন্দ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নদী ও পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের গোয়াইঘাট থানা শাখার আহ্বায়ক আজমল হোসেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, স্টেলিন তারিয়াং, জিয়ারত খান, জাহিদ খান, সুহেল আজিজ, সাত্তার, বুলবুল, বদরুল ও খায়রুলসহ শতাধিক বিএনপি নামধারী নেতারা অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত। তারা গোয়াইনঘাট থানার স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এই কাজ করছে। যারা এই অবৈধ কাজের বাধা দিচ্ছেন, প্রশাসনের সহযোগিতায় দুর্বৃত্তরা তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া করছে। কিছুদিন আগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ান হাসান ও বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির গোয়াইনঘাটের জাফলং এলাকায় পরিদর্শন করার সময় দুর্বৃত্তরা তাদের গাড়ি বহরে বাধা দেয় এবং তাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়। পরে পুলিশের সহযোগিতায় দুই উপদেষ্টা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চলে যেতে বাধ্য হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা হলেও জড়িতদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
