ভিসিপিয়াবের মাধ্যমে স্টার্টআপে সহায়তা করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৯, ২০:৪১

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভেঞ্চার ক্যাপিটাল অ্যান্ড প্রাইভেট ইকুইটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভিসিপিয়াব) এর প্রতিনিধি দল। ভিসিপিয়াব সভাপতি ও পেগাসাস টেক ভেঞ্চারের জেনারেল পার্টনার শামীম আহসানের নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধি দল সোমবার মন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতসহ অন্যান্য খাতে বিদেশি বিনিয়োগ গতিশীল করতে বিভিন্ন উদ্যোগ এবং রোড শো ও ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় ভিসিপিয়াবের পক্ষ থেকে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও প্রাইভেট ইকুইটি ইন্ডাস্ট্রির প্রবৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য ট্যাক্স প্রণোদনা এবং পলিসি সহায়তার অনুরোধ করা হয়, যা বৈদেশিক বাণিজ্য, স্থানীয় উদ্ভাবন, রপ্তানি এবং দেশে আমদানি করা পণ্যের বিকল্প দেশেই তৈরিতে সরাসরি সহায়তা করবে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. ওবাইদুল আজম; ভিসিপিয়াব ভাইস চেয়ারম্যান ও ভিআইপিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান জিয়া উদ্দিন আহমেদ, পিএইচডি; ভিসিপিয়াব মহাসচিব ও বিডি ভেঞ্চারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শওকত হোসেন এবং ভিসিপিয়াব মেম্বার শফিক-উল-আজম।

ভিসিপিয়াব মহাসচিব শওকত হোসেন বলেন, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোক্তাদের সহায়তা করে, যারা কর্মসংস্থান তৈরি করেন। বাংলাদেশে অনেক উদ্যোক্তা প্রয়োজন, যাতে তারা অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ করতে পারেন।

ভিসিপিয়াব চেয়ারম্যান শামীম আহসান বলেন, স্থানীয় স্টার্টআপে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করলে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ অবশ্যই যথেষ্টভাবে বৃদ্ধি পাবে। স্থানীয় স্টার্টআপের সফলতার গল্প, অবকাঠামোগত সক্ষমতা এবং দক্ষ জনবলের বিষয়ে অবহিতকরণের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মতো সচেতনতা তৈরির জন্য আমরা ভিসিপিয়াবের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এবং বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সঙ্গে যৌথভাবে রোডশো এবং ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজন করতে চাই।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আমরা প্রস্তাবনাগুলো বিবেচনা করব এবং দেশের অর্থনীতির বৃহত্তর লাভের জন্য ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও প্রাইভেট ইকুইটি বিনিয়োগ টেকসই করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। মন্ত্রণালয় থেকে ভিসিপিয়াবের মাধ্যমে রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দেশেই আমদানি পণ্যের বিকল্প তৈরিতে স্টার্টআপগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।