বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী ‘রাসায়নিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় হাসপাতালগুলোর প্রস্তুতি’ শীর্ষক জাতীয় প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কর্মশালা গতকাল বুধবার ঢাকা সেনানিবাসের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। গত সোমবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ (বিএনএসিডব্লিউসি), ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল যৌথভাবে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালার শেষ দিনে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনএসিডব্লিউসির চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান। এছাড়াও দেশ-বিদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। রাসায়নিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের চিকিত্সাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে দেশব্যাপী হাসপাতালগুলোর দক্ষতা বৃদ্ধির কার্যক্রম সূচনা করাই ছিল এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ। দেশের স্বনামধন্য হাসপাতালগুলোতে চিকিত্সা ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পৃক্ত বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় হতে আগত কর্মকর্তাসহ মোট ৪৫ জন প্রশিক্ষণার্থী উক্ত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী এবং প্রশিক্ষকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত জ্ঞান রাসায়নিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনা পরবর্তী চিকিত্সা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অত্যন্ত কার্যকরী হবে। এছাড়া রাসায়নিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় হাসপাতালসমূহের দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতা দিবে। বাংলাদেশে প্রথমবার আয়োজিত এ প্রশিক্ষণটি সফলভাবে সমাপ্ত করার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
