স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, 'মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রমে কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না।' বৃহস্পতিবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে স্থানীয় সরকার বিভাগের ২৫ থেকে ৩১ জুলাই 'দেশব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ' এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, 'দেশব্যাপী এডিস মশার প্রকোপ এবং ডেঙ্গুর বিস্তার বৃদ্ধি পেয়েছে। কাজেই মশার বিস্তার রোধ ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর বা সংস্থাসমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার সম্মিলিতভাবে কাজ করছে। আশা করি, শিগগির ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।'
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম।
দেশব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ উদ্বোধন করে মন্ত্রী এক বর্ণাঢ্য র্যালীতে অংশগ্রহণ করেন। এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র ছাড়াও ক্রিকেট তারকা মাশরাফি বিন মুর্তজা, চলচ্চিত্র তারকা ইলিয়াস কাঞ্চন, মৌসুমী, বিশিষ্ট কলামিস্ট আবুল মকসুদ এবং রাজনীতি, ক্রীড়া, সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন অঙ্গনের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব ও জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।
আরও পড়ুন: রাইড শেয়ারিং সেবা অন্যান্য শহরেও সম্প্রসারণ করা হবে: কাদের
'দেশব্যাপী মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ' পালনের অংশ হিসেবে সারাদেশে সিটি করপোরেশন, জেলা, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়নসমূহের উদ্যোগে সকল ড্রেন, নালা, খাল, জলাশয়, মজা পুকুর হতে কচুরিপানাসহ অন্যান্য ময়লা পরিষ্কার করা হবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান থেকে মশক জন্মানোর সব স্থানে (ওয়ার্ড/পাড়া/মহল্লাভিত্তিক) সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় লার্ভিসাইড ও এডাল্টিসাইড প্রয়োগ করা হবে। দেশের সব নাগরিককে নিজ নিজ বসতবাড়ি ও আঙ্গিনাসহ বাড়ির চারপাশ এবং সকল সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা কর্মচারীদেরকে নিজ উদ্যোগে তাদের প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে অনুষ্ঠান থেকে অনুরোধ করা হয়।
ইত্তেফাক/জেডএইচডি
