বক্সিংয়ে সেনাবাহিনী চ্যাম্পিয়ন, রক্ত ঝরলো জাহিদুলের

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৫, ১৩:২৬

ফাইনালে পুরস্কার বিতরণের আগে বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস ব্যস্ত। দম ফেলার সময় নেই। কারণ জাতীয় বক্সিংয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পুরস্কার দিতে আসার কথা। তিনি আসবেন তাই দুটি ইভেন্টের ফাইনাল রেখে দেওয়া হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বক্সার জিনাত ফেরদৌস এবং আফরা খন্দকারের ফাইনাল উপভোগ করবেন প্রধান অতিথি আসিফ মাহমুদ। 

যে কারণে জিনাতকে বুঝিয়ে অপেক্ষায় রাখা হয়। জিনাত এসব দেখে বিরক্ত হলেও মেনে নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জাতীয় বক্সিংয়ে পুরস্কার বিতরণ করেছেন ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব উল আলম।

জাতীয় বক্সিংয়ে দলগতভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেনাবাহিনী। ১৭টি স্বর্ণ, পাঁচটি রুপা ও দুটি ব্রোঞ্জ জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় সেনাবাহিনী। আনসার ছয়টি স্বর্ণ, ১১টি রুপা ও দুটি ব্রোঞ্জ জয় করে রানার্সআপ হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বক্সিং ফেডারেশনের সভাপতি লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) এম এ লতিফ খান, সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস খান এবং পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান জজ ভূঁইয়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফায়জুর রহমান ভূঁইয়া। পাঁচ দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় ২৫টি ওজন ক্যাটাগরিতে ৭২টি দলের ১৭৮ জন বক্সার অংশগ্রহণ করেন।

একটি ইভেন্টে আনসার এবং সেনাবাহিনীর বক্সারের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। খেলা চলাকালীন সেনাবাহিনীর জনি ভদ্র মাথা দিয়ে আনসারের জাহিদুলের চোখের ওপরে আঘাত করলে রক্তাক্ত হন জাহিদুল। এ নিয়ে বক্সিং রিংয়ের চার পাশে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খেলা বন্ধ হয়ে যায়। জাহিদ খেলবে না বলে জানালে জনিকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রতিবাদে চোখের ওপর রক্ত নিয়ে জাহিদুল রিংয়ে বসে পড়েন। এরপর আনসার বক্সিং রিং ছেড়ে চলে যায়। 

তখন জিনাতের বিপক্ষে আনসারের আফরার খেলা অনিশ্চয়তায় পড়ে যায়। বক্সিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস জানান, আনসারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে তাদের আবার খেলার জন্য ফিরিয়ে আনা হয়। শেষ খেলায় ৫৪ কেজি ওজন শ্রেণিতে সেনাবাহিনীর রাকিব হাসান হারিয়েছেন আনসারের উৎসব আহমেদকে। খেলা শেষে সাংবাদিকদের কাছে আনসারের দাবি, জাজরা তাদের হারিয়ে দিয়েছে।

ইত্তেফাক/জেডএইচ