সাইনবোর্ডে অবরুদ্ধ ব্যবসায়ী পরিবার

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০০:০৮

এক ব্যবসায়ী পরিবারকে প্রায় এক সপ্তাহ অবরুদ্ধ করে রেখেছে সন্ত্রাসীরা। এমনকি তাদের উপর হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও মালামাল লুটপাট করার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশে সাইনবোর্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটছে।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য গোলাম রাব্বী নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে ডেমরা থানায় জিডি করেছেন। জিডি নং. ৪২। এসআই কবির উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঐ পরিবারের অবরুদ্ধ থাকার বিষয়টির সত্যতা পেয়েছেন। 

গোলাম রাব্বী অভিযোগ করেন, 'গত ১ ডিসেম্বর রাতের আঁধারে ফজলুল কবিরের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী সাইনবোর্ড তাদের মালিকানাধীন ৪৮শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখলে নেয়। রাতের আঁধারে তারা জমিতে টিনের বাউন্ডারি দিয়ে দেয়। বাউন্ডারির ভেতরে গোলাম রাব্বিদের ১০/১২টি মালবাহী গাড়ি ছিল। সন্ত্রাসীরা দখলের সময় পরিবহন শ্রমিকদের বেদম মারধর করে এবং লুটপাট চালায়। বাউন্ডারি দেওয়ার কারনে তারা অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। এমনকি মালবাহী গাড়ি চলাচলের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের প্রতিদিন লোকসান দিতে হচেছ প্রায় ৩ লাখ টাকা।'

গোলাম রাব্বি ডেমরা থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর এসআই কবির উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে জমি দখলের বিষয় এবং অবরুদ্ধ হওয়ার বিষয়টি সত্যতা খুঁজে পান।

ভুক্তভোগীরা জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে পারিজাত কোম্পানী থেকে গোলাম বাব্বীর পিতা আব্দুল মান্নান ভুইয়া ৮৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। জমিটি তখন ডোবা ছিল। এর মধ্যে গত বছর ৬৩ শতাংশ জমি ভরাট করে। নিজেরা দেখাশুনা করে আসছে। ভরাট করা জমিতে তাদের নিজস্ব মালবাহী পরিবহন রাখা হতো। হঠাৎ করে ফজলুল কবিরের নেতৃত্বে প্রায় দেড় শতাধিক সশস্ত্র লোক রাতের আঁধারে গোলাম রাব্বিদের ভরাট করা জমির ৪৮ শতাংশ দখলে নেয়। তাতে বাউন্ডারি দিয়ে অবরুদ্ধ করে ফেলে। 

আরও পড়ুনঃ ‘প্রিন্সিপালের পা ধরে ক্ষমা চেয়েছিল অরিত্রী’

স্থানীয়রা জানায়, 'ভূমিদস্যু ও দখলদার ফজলে কবির ও তার লোকজন বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে সাইনবোর্ড এলাকায় জমি দখল হামলা ভাংচুর ও সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। ফজলে কবিরের পক্ষ নিয়ে একশ্রেণির প্রতারক কখনো নিজেকে সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা, কখনো সাবেক মেজর পরিচয় দিয়ে অহরহ প্রতারণা করে আসছে। যার সর্বশেষ শিকার হলো গোলাম রাব্বি পরিবার।'

ইত্তেফাক/নূহু