মঠবাড়িয়ায় নির্মাণের ২২ দিনেই ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের ছাদ ধস!

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৯, ২১:২০

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে নির্মাণের ২২ দিন পর ধসে পড়েছে তিন তলার চিলে কোঠার ছাদ।

বুধবার দুপুরে উপজেলার খায়ের ঘটিচোরা হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসা বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে শ্রমিকরা ছাদ লাগোয়া নির্মাণসামগ্রী খুলতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এসময় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যায় কয়েকজন নির্মাণ শ্রমিক।

জানা গেছে, গতবছর বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প (২য় পর্যায়) এর আওতায় পিটিএস মৈত্রী প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। পরে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার শহীদুল বিশ্বাস ও সগীর পোদ্দার নামের দুই ঠিকাদার সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে এ হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসা বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রের তিন তলা ভবনের (৭৮০.০৮ বর্গমিটার) নির্মাণকাজ শুরু করেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও গত ২২ দিন আগে চিলেকোঠার কক্ষে ঢালাইর কাজ শেষ করে। ঐ ছাদ থেকে শ্রমিকরা সেন্টারিং-এর বাঁশ, কাঠ খুলতে গেলে বুধবার দুপুরে সম্পূর্ণ ছাদ ধসে পড়ে।

মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আ. রহমানের অভিযোগ, নির্মাণ কাজের শুরু থেকেই ঠিকাদার অনিয়ম করে আসছে।

এ ব্যাপারে শহীদুল বিশ্বাস জানান, রাজমিস্ত্রিরা তাদের না জানিয়ে ছাদের ঢালাইর কাজ শেষ করে। এছাড়া বৃষ্টির কারণে কাজ ঠিকভাবে করা যায়নি। পুনরায় যথাযথ নিয়মে দ্রুত সময়ের মধ্যে ছাদ ঢালাই করে দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা প্রকল্পবাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মসিউর রহমান জানান, ঢালাই দেওয়ার আগে তাকে জানানোর নিয়ম থাকলেও তাকে না জানিয়ে ছাদ ঢালাইর কাজ শেষ করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।