পিরোজপুরে সহকারী কমিশনারের স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০১৯, ২১:২৭

পিরোজপুর সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারের (ভূমি) রামানন্দ পালের সরকারি বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী অদিতি বড়ালকে বৃহস্পতিবার ছুরিকাঘাতে জখম করেছে দুর্বত্তরা। তার স্বামী কর্মস্থলে থাকায় সেসময় বাসায় তিনি একা ছিলেন।

দুপুর ১টার দিকে পিরোজপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশে উত্তর কৃষ্ণনগরস্থ সরকারি ডরমেটরি ভবনে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহত অবস্থায় অদিতি বড়ালকে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে চিকিত্সা দিয়ে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের জরুরী বিভাগের ডাক্তার সাকিল সরোয়ার জানান, ছুরিকাঘাতে তার পেটে সামান্য জখম হয়েছে।

অদিতি বড়াল বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান কালিদাস বড়াল ও জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হ্যাপী বড়ালের মেয়ে। এর আগে গত বছরের ৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় একইভাবে এক দুর্বৃত্ত অদিতি বড়ালকে পিরোজপুরের ওই সরকারি বাসায় ছরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সে সময় পিরোজপুর সদর থানায় একটি মামলা হয়।

পিরোজপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস. এম. জিয়াউল হক জানান, দুপুর ১টার দিকে এক ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটদের সরকারি কোয়ার্টারের অদিতি বড়ালের বাসায় গিয়ে দরজা খুলতে বলে। এ সময় তিনি দরজা খুললে ছুরিকাঘাত করা হয়। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে এবং হামলাকারীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পিরোজপুরে ছেলেধরা গুজব বিরোধী শোভাযাত্রা ও সমাবেশ

ছেলেধরা গুজব বিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পিরোজপুরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ হয়।

দুপুর সাড়ে ১২টায় পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় গুজব বিরোধী লিফলেট বিতরণ করা হয়। শোভাযাত্রা শেষে বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মো. হায়াতুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা গৌতম চৌধুরী ও সভার সভাপতি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন।

শোভাযাত্রা ও সমাবেশে পিরোজপুর সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয, সরকারি সোহরাওয়াদী কলেজে, সরকারি মহিলা কলেজ, টেকনিক্যাল কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ, পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।