বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হয়েছেন নারী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমা। এরপরই আরও একটি সুখবর পান তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই নারী ফুটবলারের বাড়ি নির্মাণের দায়িত্ব নিয়েছে। এই খবর শুনে বেশ চমকে যান ঋতুপর্ণা।
শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে বাফুফের ক্যাম্পে ঋতুপর্ণা আকস্মিক খবর পান বিসিবি তার বাড়ি নির্মাণের দায়িত্ব নিয়েছে। এই খবরে বেশ অবাক হন তিনি। ঋতুপর্ণা বলেন, ‘খবরটি শুনে খুবই অবাক হয়েছি। বিসিবিকে ধন্যবাদ তারা আমাকে এমনভাবে পাশে দাড়ানোয়। বিসিবি সভাপতিসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’
রাঙামাটি জেলার মঘাছড়ি গ্রামে ঋতুপর্ণার বাড়ি। অনেকটা দুর্গম এলাকা হওয়ায় যাতায়াতে সমস্যা। বিগত সরকার ঘাগড়া ইউনিয়নে ঋতুপর্ণাকে জমি প্রদান করেছিল। বর্তমান বাড়ির বদলে নতুন জায়গায় বাড়ির অনুরোধ করে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আমরা এখন যে জায়গায় থাকি সেটা অনেক ভেতরে। পরিবারের যাতায়াতের সমস্যা। আমি যে জায়গা পেয়েছি ঐ জায়গায় যদি বিসিবি বাড়ি করে দেয় তাহলে আমার পরিবারের জন্য খুব ভালো হবে।’
২০২২ সালে বিগত সরকার ঋতুপর্ণাকে যে ১২ শতাংশ জায়গা দিয়েছে সেটা নিয়ে একটু আনুষ্ঠানিকতার জটিলতা রয়েছে। তার নামে এখনো রেজিস্ট্রি হয়নি। এ নিয়ে অনেক চিঠি চালাচালি হলেও ঋতুপর্ণার নামে কাগজপত্র হয়নি। এ নিয়ে আক্ষেপ করে এই নারী ফুটবলার বলেন, ‘জায়গার বাউন্ডারি আমি দিয়েছি এখনো আমার নামে রেজিস্ট্রি হয়নি। ভুটান লিগ খেলার আগেও আমি যোগাযোগ করে কাগজপত্র দিয়েছিলাম।’
ঋতুপর্ণার চাওয়া নতুন জায়গায় বিসিবির সহায়তায় বাড়ি হোক। নতুন জায়গায় আনুষ্ঠানিক মালিকানা তার এখনো হয়নি। তিন বছরের জটিলতা নিরসনের জন্য সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারকা ফুটবলারের, ‘আমার জায়গার বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি হলে বিসিবি সেখানে বাড়ি করে দিলে পরিবার নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারব।’

