মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিল ৬ গুন বেশি, প্রকৌশলী বলল সরবরাহ স্বাভাবিক

আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৫, ২১:২৯

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ব্যাপক অসঙ্গতি দেখা গিয়েছে, যা গ্রাহকদের চরম বিপাকে ফেলেছে। কড়ইচড়া ইউনিয়নের ভেলামারী গ্রামের এক কৃষকের জুন মাসে বিদ্যুৎ বিল ছিল ৯৬৮ টাকা, কিন্তু জুলাই মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৯৩৪ টাকায়। এই হঠাৎ বৃদ্ধি দেখে তিনি বিস্মিত ও ক্ষুব্ধ হন। এ ঘটনায় পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জারকে দায়ী করে তার বিচার দাবি করেছেন তিনি। 

গত জুন মাসে একই এলাকার আরেক কৃষকের বিদ্যুৎ বিল আসে ৪১৪ টাকা কিন্তু জুলাই মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ২৩০০ টাকা। শুধু এই দুই কৃষক নন, পল্লী বিদ্যুৎ এর এমন অস্বাভাবিক বিলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন উপজেলার শত শত গ্রাহক।  

এ ব্যাপারে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী ওবায়দুল্লাহ আল মাসুম বলেন, 'গত জুন মাসে ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা ছিল, ফলে বিল কম এসেছে। জুলাই মাসে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বিল বেশি এসেছে। গ্রাহকরা যদি মোটর বা অন্যান্য যন্ত্র ব্যবহার করে থাকেন, অথবা মিটার নষ্ট থাকে, তাহলে বিল বেশি আসতে পারে। যেসব গ্রাহক অফিসে এসে অভিযোগ করেছেন, তাদের সমস্যা তাৎক্ষণিকভাবে দেখা হচ্ছে এবং সমাধানের চেষ্টা চলছে।'

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরো উপজেলায় প্রায় এক লাখ গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে ৬২ হাজার গ্রাহক মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের অধীনে এবং ৩৫ হাজার গ্রাহক কয়ড়া সাব-জোনাল অফিসের আওতায় সেবা নিচ্ছেন।  

ইত্তেফাক/এএম/এনজি