রেলপথ অবরোধের পর রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবার স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) দ্রুত অনুমোদন ও পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে সিরাজগঞ্জে যমুনা সেতু পশ্চিমপাড়ে মহাসড়কে করা ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি তুলে নিয়েছেন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১১টা ৫০ মিনিট থেকে যমুনা সেতুর পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জ মহাসড়কে এ কর্মসূচি শুরু হয়। যা চলে দুপুর সোয়া ১টা পর্যন্ত। এসময় ১৭ আগস্ট একনেক সভায় ডিপিপি অনুমোদনের দাবি জানিয়ে কর্মসূচি শেষ করা হয়।
এসময় অবরোধ করা শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান ও বক্তব্য রাখেন।
অবরোধের কারণে ঢাকা-উত্তরবঙ্গ সড়কে যান চলাচল প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এতে প্রায় ২২ জেলার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। অবরোধ তুলে নেওয়ার পর যোগাযোগ স্বাভাবিক হতে শুরু করে।
শিক্ষার্থীরা জানান, গত ২৬ জুলাই থেকে তারা ধারাবাহিকভাবে কর্মসূচি পালন করছেন। আগামী ১৭ আগস্ট একনেক সভায় দাবি পূরণ না হলে তারা গণঅনশনে যাবেন।
অবরোধের সময় আহাদ শাহরিয়ার আদর নামের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ডিপিপি দ্রুত অনুমোদন ও বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’
যাত্রী সাদ্দাম হোসেন বলেন, ভোগান্তি হচ্ছে ঠিকই, তবে দাবি দ্রুত মেনে নেওয়া উচিত। কয়েক বছর পার হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস হয়নি, এটা দুঃখজনক।
আরেক যাত্রী আল আমিন বলেন, শিক্ষার্থীরা রোদ-বৃষ্টিতে ভিজে আন্দোলন করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটলে দায় কে নেবে? দ্রুত সমাধান দরকার।
অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, এ সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে, বুধবার সকালে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রেলপথ ব্লকেড করে শিক্ষার্থীরা। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে রাজধানীসহ উত্তরবঙ্গগামী একাধিক ট্রেন আটকে যায়। পরে রেলপথ মুক্ত করে নতুন কর্মসূচি হিসেবে যমুনা সেতু ও মহাসড়ক ব্লকেড ঘোষণা করা হয়।
