দেশের ডিজিটাল কর্যক্রম আরো ত্বরান্বিত করতে আগামী তিন বছরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকার আরও ২৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে তরুণ উদ্যোক্তাদের মধ্যে ব্র্যাক আয়োজিত ‘ব্র্যাকাথন পুরস্কার’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-গুলোতে ডিজিটাল ল্যাব ছিল না, প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার পর আমরা সারাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৯ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করেছি। এছাড়া ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আইসিটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’
ইন্টারনেট-সেবা সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইন্টারনেট এখন মানুষের মৌলিক চাহিদার মতো। আগে মানুষের মৌলিক চাহিদা ছিল পাঁচটি, কিন্তু বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার ইন্টারনেট-সেবাকে মানুষের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি গ্রামে কাজ করছে।
পাঠাও, উবার,সহজের মতো সেবা সংস্থাগুলো বিকশিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশ ডিজিটাল হওয়ার কারণেই এই সংস্থাগুলো আমাদের দেশে ভালোভাবে কাজ করছে, যার ফলে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, পাশাপাশি ইকমার্স কার্যক্রম দ্রুত প্রাসারিত হচ্ছে।’ আগমী ১০ বছরে আরও নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা রিস্ক নেওয়ার জাতি, আমরা অনেক রিস্ক নিয়েছি, বিভিন্ন সমস্যার সমাধানও করেছি । এখন আমাদের উচিত তরুণদের অণুপ্রাণিত করা। তাদের শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো নয়, তাদের ভকেশনাল ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলা, যাতে তারা দক্ষতা দিয়ে কাজ করতে পারে।’
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেসি ফর সোশ্যাল চেঞ্জ-এর পরিচালক কে এম মোর্শেদ, জিপির সিইও মাইল পয়াট্রিক ফোলি, ডেল-এর এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোথাই ওথায়াকর্ন। পরে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
