বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন ছায়দুল হক (৫৯)। পবিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। ছায়দুলের মরদেহ বাড়িতে আনার পথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তার স্ত্রী বিবি মরিয়মও (৫৫)। এখন একসঙ্গে তাদের মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি চলছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফনের কথা রয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই এলাকায় মাত্র ১২ মিনিটের মাথায় দুজনের মৃত্যু হয়।
এ দম্পতি একই ইউনিয়নের আব্দুর জব্বার ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা এবং তাদের ৬ ছেলে ও ৩ মেয়ে রয়েছে।
স্থানীয় ও পরিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে ছায়দুল হক নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টায় অসুস্থ ছায়েদল হককে তার স্ত্রী বিবি মরিয়মসহ অন্যান্য স্বজনরা উপজেলার কানকিরহাট বাজারের পল্লী চিকিৎসক রতন সূত্র ধরের কাছে নিয়ে যায়। পল্লী চিকিৎসক ছায়েদুল হককে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর স্ত্রী মরিয়ম স্বামীর মরদেহ নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। স্বামীর মৃত্যুর ১২ মিনিটের মাথায় কানকিরহাট হাসানপুর সড়কের নুনু কোম্পানির মেইলের সামনে অটোরিকশায় স্ট্রোক করে মরিয়ম রাস্তায় পড়ে যান। আবার তাকে একই চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে চিকিৎসক মরিয়মকেও মৃত ঘোষণা করে। পরে স্বামী-স্ত্রী দুজনের মরদেহ স্বজনরা বাড়িতে নিয়ে আসে।
কেশারপাড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবু তালেব টিপু জানান, এভাবে স্বামীকে চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের কাছে নিয়ে দুজনই মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ার ঘটনা এ এলাকায় বিরল। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করার কথা রয়েছে।
