সাত কলেজ ইস্যু

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:০০

সরকারি সাত কলেজ নিয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে ঢাকা কলেজের অস্তিত্ব সংকটে পড়বে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কলেজটির উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা।

ঢাকা কলেজের ১৮৪ বছরের ঐতিহ্যের কথা উল্লেখ করে তারা বলেন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি করার প্রক্রিয়ায় উচ্চমাধ্যমিকের কোনো প্রতিনিধিত্ব না থাকায় শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা করছে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশে তাদের স্বার্থ পরিপন্থী নীতিমালা থাকতে পারে। একাডেমিক কাঠামোর কোনো পরিবর্তন বা সংকোচন যা উচ্চ মাধ্যমিককে ক্ষতিগ্রস্ত করে সেটি ঢাকা কলেজ উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা মেনে নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা। এসব বিষয় ভেবে দেখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পরবর্তী সময়ে কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ভবিষ্যৎ কী হবে—এই বিষয়ে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। গতকাল সোমবার দুপুরে ঢাকা কলেজ মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে কলেজটির উচ্চমাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা এসব কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’-এর স্কুল অব সায়েন্স প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা আছে। এটি হলে স্নাতকের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা কলেজ নামের প্রতিষ্ঠানের কোনো সংযোগ থাকছে না। আবার ‘টাইম শেয়ারিং’ মাধ্যমে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উচ্চমাধ্যমিকের ক্লাস এবং এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস নেওয়া কতটা বাস্তবসম্মত হবে সেটি নিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্বেগ রয়েছে। গতকালের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিজেদের  সেই উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন ঢাকা কলেজের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একজন ছাত্র। এ সময় বেশকিছু ছাত্র উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের সতর্ক করল ঢাকা কলেজ প্রশাসন: ঢাকা কলেজ প্রশাসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছে। 

কলেজ কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, অনলাইনে আপত্তিকর, ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক ও উসকানিমূলক কোনো পোস্ট দিলে তার দায়ভার শিক্ষার্থীকে নিজেকেই বহন করতে হবে। এ ধরনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিলে কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই দায় নেবে না। অধ্যক্ষ অধ্যাপক এ কে এম ইলিয়াসের সই করা এই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখতে হবে এবং যে কোনো ধরনের উত্তেজনাকর বা সহিংসতাকে উসকে দেয় এমন কনটেন্ট থেকে দূরে থাকতে হবে।

 

ইত্তেফাক/এমএএম