স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পাদুকা খাতে উদ্ভাবন শীর্ষক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:২২

ভৈরব পৌরসভার উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো "স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পাদুকা খাতে উদ্ভাবন" শীর্ষক আঞ্চলিক প্রচারণা ও প্রশিক্ষণমূলক সেমিনার। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদ মাঠে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রকল্প ‘প্রবৃদ্ধি (PRABRIDDHI)’-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন ভৈরবসহ আশপাশের ৮টি পৌরসভার ৭০ জন পৌর কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তা।

প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর মহাপরিচালক জীবন কৃষ্ণ সাহা রায়। তিনি বলেন, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে শুধু জাতীয় নয়, স্থানীয় পর্যায়েও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন জরুরি। প্রবৃদ্ধি প্রকল্প এ ব্যবধান দূর করছে।

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নাহিদ হাসান খান, সুইসকন্ট্যাক্ট বাংলাদেশের রিজিওনাল এডভাইজর ড্যানিয়েল ভ্যালেঙ্গি, প্রবৃদ্ধি প্রকল্পের টিম লিডার পারভেজ মোহাম্মদ আশিক। সভাপতিত্ব করেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শবনম শারমিন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাহিদ হাসান খান বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) অর্জন, বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ তৈরি করাই এই আয়োজনের লক্ষ্য।

ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে দিনব্যাপী স্থানীয় পণ্য ও সেবা মেলার আয়োজন করা হয়, যেখানে নারী উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা নিজেদের পণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি সরাসরি বিক্রির সুযোগ পান।

পৌরসভার ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস সেন্টার’ থেকে ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং ট্যাক্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নেন সরকারি কর্মকর্তারা ছাড়াও সাংবাদিক, নারী উদ্যোক্তা, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীসহ প্রায় ৩০০ জনের বেশি ব্যক্তি। মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় এক হাজারেরও বেশি।

শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল প্রতিযোগিতা ও তথ্যভিত্তিক সেশন, যাতে তারা স্থানীয় অর্থনীতিতে উদ্যোক্তা হিসেবে অংশগ্রহণের ধারণা পায়।

সমাপনী বক্তব্যে ইউএনও শবনম শারমিন বলেন, এই আয়োজন কেবল পরিকল্পনা ভাগাভাগির জায়গা নয়, বরং অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনের প্ল্যাটফর্ম। ভৈরবের পাদুকা খাত উদ্ভাবনী ও টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের শীর্ষ শিল্পের কাতারে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।

ইত্তেফাক/এএইচপি