কুড়িগ্রামে ৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে, আরও ৩ জনকে ঢাকায় প্রেরণ

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৯, ১৯:৪৯

কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। এদের মধ্যে ৫ জন কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকি ৩ জনের অবস্থার অবনতি ঘটায় তাদের ঢাকায় নেওয়া হয়েছে। 

কুড়িগ্রাম হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ চালু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এর আগে ঢাকায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে কুড়িগ্রামে ফিরে আসাদের মধ্যে অনেকে আবার অসুস্থ হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। 

কুড়িগ্রাম হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শাহিনুর রহমান জানান, গত ৩দিনে আরিফুল হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আলী আহমেদ, আমিনুল ইসলাম ও খাইরুল ইসলাম নামে ৫ জন ডেঙ্গু রোগী ঢাকা থেকে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে এসে কুড়িগ্রামে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অপর তিনজন রোগীকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।

রোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা সবাই ঢাকা থেকে ২-৩দিন আগে ফিরেছেন। এর মধ্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন ঢাকায় জ্বরে আক্রান্ত হয়ে কুড়িগ্রাম ফিরলেও অন্যরা কুড়িগ্রামে ফিরে জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। পরে তারা কুড়িগ্রামে আপডেট নামে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জ্বর পরীক্ষা করালে তাদের ডেঙ্গু এনএস-১ পজেটিভ ধরা পড়ে।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবু মো.জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের হাসপাতালে এনএস-১ এন্টিজেন শনাক্ত করার কোনও ব্যবস্থা না থাকলেও কোনও ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী এলে তার চিকিৎসা সুবিধা এখানে রয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য মেডিসিন ওয়ার্ডে ‘ডেঙ্গু কর্নার’ চালু করেছি। আক্রান্ত সকল রোগীদের মশারির ভেতর রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আরো রোগী এলে কোন সমস্যা হবে না। তাদের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি রয়েছে।’

আরও পড়ুন: টেকনাফে অস্ত্র, বুলেট ও ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক

কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. এস এম আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়কসহ আমি নিজে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের দেখতে গিয়েছি। আতংকিত হওয়ার মতো কিছু নেই। ডেঙ্গু আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি খারাপ হেমোরেজিক ডেঙ্গু। এতে প্লাটিলেট (রক্ত কনিকা) দ্রুত কমে গিয়ে রোগীর অবস্থা খারাপ হতে থাকে। যে ৩ জন এ সমস্যায় পড়েছেন তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

ইত্তেফাক/নূহু