বন্যার্তদের সাহায্য দেওয়ার ক্ষেত্রে কৌশলী হওয়া প্রয়োজন

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৯, ২১:৩২

একটি পত্রিকার লিড শিরোনামে এসেছে ‘চুলো নেই, ঘর নেই চাল দিয়ে কী করব!’ বিষয়টি আসলেই আমলে  নেওয়ার মতো। সব জায়গায় সব ধরনের ত্রাণ কাজে আসবে না। এমন কিছু জায়গা আছে যে জায়গাগুলোতে ত্রাণ শুধু শুকনো খাবার হলেই ভালো হয়, কারণ সেখানে রান্না করার কোনো উপায় নেই। বন্যার সময় সবসময়ই সবচেয়ে বড় আরেকটি সমস্যাটি হয়ে দাঁড়ায় ত্রাণ ঠিক জায়গায় পৌঁছানো। একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ত্রাণ দিলে অনেক সময় বৃদ্ধরা বঞ্চিত থেকে যেতে পারে, শিশুরাও নিতে পারে না। তাই উচিত হবে ত্রাণ নৌকা নিয়ে ঘাটে ঘাটে গিয়ে নেমে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া। একজন চিকিত্সকও থাকতে হবে এ টিমে। খাবার পানির সংকটের জন্য সমস্যা আরো প্রকট আকার ধারণ করে এ সময়। এ কারণে অস্থায়ীভাবে হলেও গভীর নলকূপ স্থাপন করে দিতে হবে যদি কোনো উঁচু জায়গা থাকে। খাবার স্যালাইন দ্রুত হাসপাতালগুলোতে পৌঁছে দিতে হবে। বর্ষা ও বন্যায় বিষাক্ত সাপ ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষকে কামড়ায় বেশি। প্রতিটি উপজেলায় হাসপাতালগুলোতে এন্টিভেনাম পর্যাপ্ত সরবরাহ করাও প্রয়োজন। বাড়ি বাড়ি ত্রাণ পৌঁছে দিতে লোকবল সংকট থাকলে সমাজের স্বেচ্ছসেবী বিভিন্ন সংগঠনের সাহায্য নিতে পারে সরকার। তবে অবশ্যই দ্রুততর সময়ে ত্রাণ পৌঁছানো প্রয়োজন। সঠিক জায়গা ও সঠিক প্রক্রিয়ায় ত্রাণ পৌঁছালেই বানভাসিরা এর সুফল পাবে। এ বিষয়ে খাদ্য, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

সাঈদ চৌধুরী

শ্রীপুর, গাজীপুর