আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বদা নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের পাশে ছিলেন। দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে তার জীবন উত্সর্গ করে গেছেন। তার স্বপ্ন ছিল দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার জাতির পিতার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দারিদ্র্যমুক্ত, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল এবং মানবাধিকার ভিত্তিক সোনার বাংলা গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে শেখ হাসিনার সরকার দেশে মানবাধিকারের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। আমরা এখনো বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনের স্বপ্ন পূরণ করতে পারিনি। আমরা যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হয়েছি তা কাটিয়ে উঠতে আমাদের অনেক দীর্ঘ পথ যেতে হবে।
গতকাল মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ নির্যাতন বিরোধী কমিটির পর্যালোচনা সভায় এক বক্তৃতায় আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পর্যালোচনা সভায় তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রতিনিধি দলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, অসাম্প্রদায়িক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বজায় রাখতে সরকার সংখ্যালঘু ও জাতিগত সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের সহিংসতা বা নির্যাতন রোধে কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষত, যে কোনো অজুহাতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে কোনো ধরনের সহিংসতা মোকাবিলায় বাংলাদেশ কঠোর নীতি বজায় রেখেছে। তিনি বলেন, কনভেনশনটি বাস্তবায়নের জন্য সরকার আইনি, প্রশাসনিক ও বিচারিক—তিন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি নাগরিক সমাজ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা নেওয়া হচ্ছে। এই লাইনে আমরা আইসিআরসির অংশগ্রহণে কারাগার সংস্কার শুরু করেছি।
