টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত ৪৬ জন রোগী সনাক্ত হয়েছে। কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষার পর ডেঙ্গু সনাক্ত করেছেন। এদের মধ্যে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীও রয়েছেন। কুমুদিনী হাসপাতাল ছাড়াও বেসরকারি ক্লিনিক-হাসপাতালে রোগীদের ভীড় বেড়েই চলেছে।
বুধবার বিভিন্ন ক্লিনিক-হাসপাতাল ও কুমুদিনী হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের চিকিৎসা চলছে।
কুমুদিনী হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গু জ্বর প্রথমে রাজধানী ঢাকায় দেখা দিলেও এখন মফস্বলে ছড়িয়ে পড়েছে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বুধবার পর্যন্ত ৪৬ জন রোগী ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। কুমুদিনী হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এসব রোগী সনাক্ত হয়।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে , ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ১৫ রোগী
বুধবার কুমুদিনী হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশারির ভিতরে রেখে চিকিৎসা সেবা চলছে। হাসপাতালের বর্হিবিভাগ ও ভিতরে রোগী ও স্বজনদের ভিড় দেখা গেছে। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।
কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম(অপারেশন) অনিমেশ ভৌমিক লিটন ও শিশু বিভাগের ডা. ফাতেমা মকবুল বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে আক্রান্ত রোগী এখানে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হচ্ছেন। তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ডেঙ্গু জ্বর সনাক্ত করার পর চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। ডেঙ্গু রোগীদের সঠিক ভাবে চিকিৎসা দিতে হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্সরা একযোগে কাজ করছেন।
কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায় ও কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. এম এ হালিম বলেন, কুমুদিনী হাসপাতালের পক্ষ থেকে রোগীদের সেবা দেওয়ার জন জরুরিভাবে পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে হেলথ ইমাজেন্সি অপারেশন কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল মালেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্তদের সুচিকিৎসার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআরএম
