সংরক্ষিত মহিলা আসনে উপনির্বাচন

ইসির বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

বৈধ প্রার্থী ঘোষণার সব আয়োজন চূড়ান্ত। শুধু বাকি আনুষ্ঠানিকতার। কিন্তু যেন তর সইছিল না নির্বাচন কমিশনের। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্ধারিত কার্যদিবসের একদিন আগেই বৈধ প্রার্থী হিসেবে প্রজ্ঞাপন জারি করল ইসি। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের শূন্যপদের উপনির্বাচনে এই আইন ব্যত্যয়ের ঘটনা ঘটেছে।

সূত্র মতে, আওয়ামী লীগ মনোনীত সংরক্ষিত আসনের এমপি রুশেমা বেগম মারা গেলে গত ১১ জুলাই এ আসন শূন্য ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে সংসদ সচিবালয়। গত ১৭ জুলাই তফসিল ঘোষণা করে ইসি। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, গত ২৫ জুলাই ছিল মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময়। ২৮ জুলাই ছিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের জন্য নির্ধারিত দিন। ভোটগ্রহণের কথা ছিল ১৮ আগস্ট। কিন্তু উপনির্বাচনে একক প্রার্থী হিসেবে সালমা চৌধুরী মনোনয়ন দাখিল করেন। গত ২৮ জুলাই মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে টিকে যান।

কিন্তু ঐ নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার বাছাইয়ের দিনেই সালমা চৌধুরীকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করেন। যা আইন পরিপন্থী। কেননা জাতীয় সংসদের (সংরক্ষিত মহিলা আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১০ এর উপধারা (৮) এ স্পষ্ট বলা আছে, রিটার্নিং অফিসার বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থীগণের নামের একটি তালিকা প্রস্তুত করে মনোনয়ন বাছাইয়ের জন্য নির্ধারিত তারিখের পরবর্তী কার্যদিবসে তার অফিসে দৃশ্যমান কোনো জায়গায় টাঙিয়ে প্রকাশ করবেন। কিন্তু রিটার্নিং অফিসার ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. আবদুল বাতেন একদিন আগেই (২৮ জুলাই) সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করলেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে রিটার্নিং অফিসার জানান, বিষয়টি ভুলবশত হয়েছিল, পরে সংশোধন করা হয়েছে। এই নির্বাচনে আর কোনো বৈধ প্রার্থী না থাকায় সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।