অ্যাডিস মশার বংশবিস্তার রোধে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৯, ০০:০৫

অ্যাডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে গতকাল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বিভিন্ন অঞ্চলে ছয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। গুলশান-২ এ ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ আনোয়ার পাঁচটি নির্মাণাধীন ভবন, হাসপাতাল ও দপ্তরকে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এর মধ্যে ৭৯ নম্বর সড়কে ‘লেক ভিউ ক্লিনিক’কে ৫০ হাজার টাকা, একই সড়কের একটি বাড়ির মালিককে ৫০ হাজার টাকা, ৮১ নম্বর সড়কে ‘ডিজাইন স্কেইপ আরকিটেক্ট ইনস্টিটিউট’কে ৫০ হাজার টাকা, ৭৩ নম্বর সড়কে সোনিয়া গ্রুপকে ২৫ হাজার টাকা এবং ৭৩ নম্বর সড়কে ‘মেটাল হোল্ডিং’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসব স্থানে অপরিষ্কার পরিবেশ এবং অ্যাডিস মশার লার্ভা ও অ্যাডিস মশা বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ বিদ্যমান পাওয়া যায়।

এছাড়া ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন স্থানে ১৪৫টি আবাসিক ভবন ও স্থাপনা পরিদর্শন করেন। পল্লবী এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম শফিউল আজমের নেতৃত্বে অ্যাডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ থাকায় এবং নির্মাণসামগ্রী ফুটপাত ও রাস্তায় রেখে জনদুর্ভোগ সৃষ্টির অভিযোগে মোট ছয়টি মামলায় ৬২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মিরপুর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সালেহা বিনতে সিরাজের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকায় চারটি বাড়িকে নোটিশ প্রদান করা হয়। মোহাম্মদপুরে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অ্যাডিস মশা বংশবিস্তারের উপযোগী পরিবেশ ও অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে চারটি বাড়ির মালিককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের ছাদে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ থাকায় মুচলেকা নিয়ে ছাদ পরিষ্কার করার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়। ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।