ঔষধিগাছ হিসেবে তুলসী সুপরিচিত। সাধারণ সর্দি-কাশির চিকিত্সায় কিংবা ত্বকের যত্নে তুলসী অনেকেই ব্যবহার করে থাকেন। তবে শুধু এসব ছাড়াও তুলসীর রয়েছে নানা উপকারিতা। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যা ইত্যাদি দূরীকরণে তুলসীর ভূমিকা অনন্য।
সাধারণ সর্দি-কাশিতে তুলসীর রস এবং মধু মিশিয়ে খেলে কাশির উপশম হয়। এছাড়া গলা ব্যথা কমে যায়।
তুলসী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। শরীরকে ক্ষতিকর নানা ব্যাকটেরিয়া থেকে রক্ষা করে। ফলে ঘন ঘন ইনফেকশন, জ্বর ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় তুলসী ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত তুলসী পাতা গ্রহণ করেন তাদের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
তুলসীর রস রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই এটি ডায়াবেটিস রোধে অনেকটাই সাহায্য করে।
এছাড়া শরীরে ইউরিক এসিড এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে তুলসী পাতা। এতে কিডনি স্টোনের মতো সমস্যা রোধ হয়।
ত্বকের বিভিন্ন সমস্যাতেও তুলসী পাতা ভালো কাজ করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় তুলসী অকালবার্ধক্য প্রতিরোধ করে।
লেখক: চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ
