ঈদে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শেষ

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৯, ২১:৫২

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি গত ২৯ জুলাই শুরু হয়ে গতকাল শেষ হয়েছে। সিডিউল অনুযায়ী গতকাল শুক্রবার ১১ আগস্টের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়। অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে প্রতিদিনই রাজধানীর কমলাপুর রেল স্টেশনে ছিল টিকিট প্রত্যাশিদের উপচে পড়া ভিড়। এই কয়দিন মূলত এসি চেয়ার, শোভন চেয়ারসহ অন্যান্য টিকিট বিক্রি হয়েছে। যারা লাইনে দাঁড়িয়েও অথবা ব্যস্ততার কারণে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেননি তারা ঈদযাত্রার ঐসব ট্রেন ছাড়ার দুই ঘণ্টা আগে সংগ্রহ করতে পারবেন স্ট্যান্ডিং টিকিট।

কমলাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ আমিনুল হক জুয়েল জানিয়েছেন, আসন স্বল্পতার কারণে যেসব যাত্রীরা ট্রেনের আগাম টিকিট কাটতে পারেনি। তাদের সুবিধার্থে তাদের অনুরোধে ঈদযাত্রার শুরু হওয়ার দিন থেকে প্রতিটি ট্রেন ছাড়ার ২ ঘণ্টা আগে ৩০ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকেট বিক্রি করা হবে। আর এ টিকিটের ভাড়া হবে যাত্রীর গন্তব্যের সর্বনিম্ন ভাড়ার সমান। তবে স্ট্যান্ডিং টিকিটে আলাদা করে সিল দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে আন্তঃনগরসহ চারটি স্পেশাল ট্রেনে দেওয়া হবে স্ট্যান্ডিং টিকেট। তবে কোনো যাত্রীকেই এবার ট্রেনের ছাদে ওঠতে দেওয়া হবে না। আমরা চেষ্টা করব সিডিউল অনুযায়ী যেন সব ট্রেন চলাচল করতে পারে। বন্যার কারণে যেসব রেললাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেসব রুট ঈদের আগেই মেরামত করা হবে। যদি ঈদের আগে সব রুট মেরামত করা না যায় তাহলে রুট পরিবর্তন করে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে সেক্ষেত্রে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

অন্যদিকে রেলের ফিরতি টিকিট বিক্রি ৫ আগস্ট শুরু হয়ে ৯ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আগামী ৫ আগস্ট দেওয়া হবে ১৪ আগস্টের টিকিট, ৬ আগস্ট ১৫ আগস্টের, ৭ আগস্ট ১৬ আগস্টের, ৮ আগস্ট ১৭ আগস্টের এবং ৯ আগস্ট ১৮ আগস্টের ট্রেনের আগাম ফিরতি টিকিট দেওয়া হবে। ঈদের ১০ দিন আগে এবং ঈদের পর ১০ দিন পর্যন্ত ট্রেনে ভিআইপিদের জন্য সেলুন সংযোজন করা হবে না। এছাড়া আগামী ১১ ও ১৪ আগস্ট ঢাকা-কলকাতা-ঢাকার মধ্যে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করবে না।