মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ২৯ বিসিএসে নিয়োগ, আসামি পিএসসির ১৪ ঊর্ধ্বতনসহ ১৯ জন

আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:২৭

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করা সত্ত্বেও মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোটায় ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ১৩ সদস্য, সাবেক সচিব এবং চাকরি পাওয়া ৬ ক্যাডারসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ৬টি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন।

অনুমোদিত মামলাগুলোর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসির সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামা, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, প্রফেসর ডা. ফরিদা আদিব খানম ও মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান। এছাড়া সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ.ই.ম নেছার উদ্দিন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. লোকমান আহমদও আসামি তালিকায় রয়েছেন।

আর চাকরি পাওয়া ছয় ক্যাডার কর্মকর্তা হলেন— রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জল হোসেন, হালিমা খাতুন, মিল্টন আলী বিশ্বাস, নাহিদা বারিক ও খোরশেদ আলম।

অনুমোদিত মামলাগুলোতে আসামিদের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। অনুসন্ধান টিমের সুপারিশ অনুযায়ী দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/এমএস