তানভীর আহাম্মেদ
গরু কেনার আগে রাতুল ভাই এবং তার বউয়ের প্ল্যান
স্ত্রী :তুমি প্রতিবার কী সব গরু আনো, তোমার কালার চয়েজ নেই।
রাতুল :তাহলে এইবার তুমিও চল।
স্ত্রী :পাগল নাকি। আমি কী করে যাই। তবে চল অনলাইনে অর্ডার করি।
রাতুল :ভালো আইডিয়া।
অতএব ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইনে দুইজন
স্ত্রী :এই পিংক আছে কিনা দেখো না।
রাতুল :আরে গরুর কি পিংক হয় নাকি।
স্ত্রী :তাহলে এই লালটা দেখো। অনেক কিউট।
রাতুল :হুম। কিন্তু এত লাল গরু কিভাবে হয়। দারুণ তো।
স্ত্রী :বুঝতে হবে তো কে চয়েজ করছে। লোমগুলি দেখো কত সিল্কি। চোখগুলোও সুন্দর, মনে হয় যেন কাজল দেওয়া।
রাতুল :তাহলে অর্ডার করি।
স্ত্রী :এক্ষুনি কর।
অতএব পরদিন গরুর মালিক বাসায় গরু পৌছে দিলেন
স্ত্রী :ওয়াও। আই লাভ ইট।
রাতুল :অনেক সুন্দর তাই না?
স্ত্রী :হ্যাঁ, আমি চয়েজ করছি বুঝতে হবে।
রাতুল :আসলেই তোমার চয়েজ সেই!
গরুর সঙ্গে সেলফি নেওয়ার প্রাককালে
স্ত্রী :এই চল সেল্ফি নেই।
রাতুল :চল।
স্ত্রী :এই তুমি পেছনে দাঁড়াও। আমি সামনে থাকি। স্মাইল প্লিজ।
রাতুল :ই...
স্ত্রী :দেখো কত সুন্দর হইছে। ক্যাপশন কি দেব? ‘আমাদের কিউট গলু’টা লিখি?
রাতুল :হ্যাঁ, দিতে পারো।
অতএব পরদিন গরু কে গোসল করানোর জন্য লোক ঠিক করার পর
—স্যার গরু কোত্থেকে কিনলেন?
—কেন। অনলাইনে। কালারটা সুন্দর না?
—স্যার এইটা কি আসলেই গরু নাকি অক্টোপাস?
—মানে! কী বলছ এসব?
—না মানে, অক্টোপাসের নাকি রং বদলায়। আপনার লাল গরুর গায়ে পানি ঢালতেই এইটা সাদা হয়ে গেছে।
—আয় হায়! কেন যে কালার দেখে বউয়ের কথায় নেট থেকে গরু কিনতে গিয়েছিলাম!
