বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যাচ্ছে। এই ডেঙ্গু জ্বরকে কেন্দ্র করে কে কেমন ফায়দা নিচ্ছে, তা জানাচ্ছেন সুদিপ্ত কুমার নাগ
অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চাচ্ছে যে, তাদের বসের যেন ডেঙ্গু জ্বর হয়।
বস সারাদিন আমাদের কাজের চাপে রাখে। বলেন তো কী করা যায়?
আসেন, আমরা দোয়া করি যেন আমাদের বসের ডেঙ্গু জ্বর হয়। বসের জ্বর হলে কয়েকদিন কাজে ফাঁকি দিতে পারব।
ডেঙ্গু জ্বরকে কেন্দ্র করে ফায়দা নিচ্ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।
ভাই, আপনার শরীর তো প্রচুর গরম। জ্বর আসছে মনে হচ্ছে। আমাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে মাত্র দু হাজার টাকায় ডেঙ্গু টেস্ট করিয়ে যান।
আমি ডাক্তার। এতক্ষণ রোডে দাঁড়ায় থাকার জন্য আমার শরীর গরম হইছে। ডেঙ্গু জ্বর হইছে কি না সেটা আপনার মতো দালালের থেকে ভালো বুঝি।
যেসকল স্বামী বউয়ের জন্য টিভি দেখতে পারে না, তাঁরা চাচ্ছেন যেন স্ত্রীর ডেঙ্গু জ্বর হয়।
ভাবছিলাম আমার স্ত্রীর ডেঙ্গু জ্বর হলে সে বাপের বাড়ি যাবে, আর আমি বাসায় নিশ্চিন্তে টিভি দেখব। কিন্তু আমার বাসায় মশাই আসে না।
ডেঙ্গু জ্বরের ভয়ে আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমার বাসায় এসে হাজির হইছে। তাদের জন্য ভালোমন্দ বাজার করতে করতে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসকল শিক্ষক খুব বোরিং ক্লাস নেন, শিক্ষার্থীরা সেসব শিক্ষকের ডেঙ্গু জ্বর হওয়ানোর জন্য চেষ্টা করতে পারে।
দোস্ত, শান্তা ম্যাডাম খুবই বোরিং ক্লাস নেন। ম্যামের এই বোরিং ক্লাস বন্ধ করার কোনো উপায় আছে?
যেসব মশা ডেঙ্গু ছড়ায়, সেসব মশা ধরে ম্যামের বাসায় ছেড়ে দিয়ে আসতে হবে। তাহলে ম্যাম ডেঙ্গু জ্বরের কারণে একমাস আর ক্লাস নিতে পারবে না।
