নাড়ির টানে যাত্রা বাড়ির পানে! তবে যাত্রাপথে যাত্রীকে সামলাতে হয় নানা সমস্যা। একটু সচেতনমূলক টিপসেই হতে পারে তার সমাধান। তাই ঠাট্টারু হেলাল নিরব দিচ্ছেন যাত্রাপথের অসাধারণ কিছু টিপস
v ঈদ যাত্রায় টিকিটি কাটাটা যেমন চ্যালেঞ্জের বিষয়, তেমনি সেই টিকিটে বাড়ি পৌঁছানোও একপ্রকার চ্যালেঞ্জের বিষয়। আর এর প্রধান কারণ ঠিক সময়ে স্টেশনে উপস্থিত হওয়া। তাই এমন বিব্রতকর পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে গাড়ি ছাড়ার বেশ কয়েক ঘণ্টা আগে অথবা প্রয়োজন অনুসারে দু-একদিন আগেও স্টেশনে উপস্থিত থাকতে পারেন।সেক্ষেত্রে আর লেট হওয়ার ভয় থাকবে না। তবে সঙ্গে মশারি নিয়ে নেবেন। স্টেশনেই মশারি টাঙিয়ে রাত কাটাতে পারবেন।
v প্রচণ্ড জ্যামের বিরক্তি বা সিডিউল মিসিংয়ের দেরি থেকে বাঁচতে ফোনে চার্জ দিয়ে রাখুন। ক্ষেত্রবিশেষ ব্যাকআপ ব্যাটারি, অতি প্রয়োজনে পাওয়ার ব্যাংকও সঙ্গে রাখতে পারেন।
v ঈদ যাত্রীদের ভিড় আর প্রচণ্ড গরমে আপনার এখন তখন অবস্থা। আবার অনেক বাসে নেই ফ্যান বা থাকলেও কাজ করছে না। এমন পরিস্থিতিতে লাইফ সাপোর্ট হিসেবে হাতপাখা অথবা শক্ত মলাট সঙ্গে রাখতে পারেন। তাহলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একটু হাত ঘুরিয়ে আরামসে যাত্রাটা শেষ করতে পারবেন।
v যদিও যাত্রাপথে বালিশ বহন করা খুবই ব্যয়বহুল, তবুও একটু শান্তির জন্য সেটা করা বুদ্ধিমানের কাজ। তবে সাবধান, বালিশ ওঠাতে কারো হেল্প নেবেন না। তাহলে কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকা গচ্চা দেওয়া লাগতে পারে।
v ‘অপরিচিতদের দেওয়া কিছু খাবেন না’, ‘মলম পার্টি থেকে সাবধান’ অথবা ‘নিজের মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখুন’ এমন বাণীগুলো আপনার পাশের সিটে যারা বসে আছে, তাদের সবাইকে জানিয়ে দিন। সুযোগ পেলে দাঁড়িয়ে ওই বিষয়ে একটা লেকচার দিন। এতে বাসের ভেতরে কোনো মলম পার্টির সদস্য থাকলেও আপনাকে সচেতন ভেবে অ্যাটাক করবে না। নির্ভয়ে যাত্রা করতে পারবেন।
v মোবাইলের চার্জার, চিরুনি, এয়ার ফ্রেশনার, ছাতা ছাড়াও পর্যাপ্ত টিস্যু বা রুমাল রাখুন। হতে পারে কেউ ‘বমি দুর্ঘটনা’ ঘটাল অথবা আপনার শখের সাদা জুতাটায় পা দিয়ে নষ্ট করে দিল। তখন ওইসবই ত্রাতা হয়ে আপনার যাত্রাটা শুভ করবে। শুভ হোক আপনার ঈদ যাত্রা।
