কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণ প্রসঙ্গ

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৯, ২১:৫০

প্রতিবছর কোরবানির সময় অন্যান্য পশুর তুলনায় গরু বেচাকেনা হয় বেশি। এই সময় কিছু অসাধু খামারি ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা অর্জনের আশায় স্বল্প সময়ে পশু মোটাতাজা করতে বিভিন্ন ধরনের নিষিদ্ধ ইনজেকশন ও স্টেরয়েড গ্রুপের ওষুধ ব্যবহার করে থাকে। মোটাতাজা করতে গরুকে খাওয়ানো হয় ট্যাবলেট এবং মাংসপেশিতে প্রয়োগ করা হয় ইনজেকশন। স্টেরয়েড গ্রুপের বিভিন্ন ট্যাবলেটের সঙ্গে কৃত্রিমভাবে কোরবানির পশুর মাংসপেশিতে ডেক্সামেথাসন ইনজেকশন দেওয়া হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় পশুর স্বাভাবিক প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, শরীরে পানি জমতে শুরু করে। ফলে পশু মোটাতাজা দেখায়। স্টেরয়েড গ্রুপের ট্যাবলেট খাওয়ানো বা ডেক্সামেথাসন জাতীয় ইনজেকশন দেওয়া পশু খুব শান্ত হয়ে থাকে। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না। পশুর উরু অনেক বেশি মাংসল মনে হয়। অতিরিক্ত হরমোনের কারণে পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখায়। পশু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাই না করলে মারাও যেতে পারে। এই পশুর মাংস মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। মানুষের কিডনি ও লিভারসহ বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এমনকি ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে। এই রকম অনৈতিক কাজ বন্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

শেখ ফরিদ, ঢাকা