অধিকার খর্বের অভিযোগ ইসি মাহবুব তালুকদারের

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৯, ০০:২৭

নিজের অধিকার খর্বের লিখিত অভিযোগ করেছেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তিনি বলেছেন, সচিব আমার কাছে নথি পেশ না করে আমাকে পাশ কাটিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে কার্যবিবরণী অনুমোদন করেছেন। আমার কাছে বিষয়টি আইনসিদ্ধ বলে মনে হয়নি। এতে আমার অধিকার খর্ব করা হয়েছে। গত পহেলা আগস্ট প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও ইসি সচিব বরাবর ইউও নোটে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেন।

নোটে মাহবুব তালুকদার বলেন, নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমার বক্তব্য কার্যবিবরণীতে লিপিবদ্ধ না করার যদি কোনো সঙ্গত কারণ থাকে, তা আমাকে অবহিত করার প্রয়োজন ছিল। ইতিপূর্বে কমিশন সভায় বক্তব্য পেশের জন্য আমাকে লিখিতভাবে অনুরোধ জানিয়েও পরে তা পেশ করতে দেওয়া হয়নি। নির্বাচন কমিশন সভায় আমার উপস্থাপিত বক্তব্য যদি কার্যবিবরণীতে অন্তর্ভুক্ত না করা হয়, তাহলে সভায় আমার উপস্থিতির কোনো আবশ্যকতা থাকে না। এই ঘটনায় কমিশনে একটি খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

মাহবুব তালুকদার বলেন, গত ২১ জুলাই আমি নির্বাচন কমিশনের ৫০তম সভায় উপস্থিত ছিলাম। উক্ত সভায় আমি ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে রূপগঞ্জ উপজেলার ‘কাঞ্চন’ পৌর এলাকার শান্তিপ্রিয় জনগণের নামে প্রচারিত কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞাপনের প্রতি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। এতে ঐ এলাকার জনগণ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও সন্ত্রাসমুক্ত পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। নির্বাচনটি যাতে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সে সম্পর্কে আমি কমিশন সভায় বক্তব্য রাখি।

সভার কার্যবিবরণীর খসড়া আমার কাছে পেশ করা হলে তাতে আমার বক্তব্য অন্তর্ভুক্ত না থাকায় আমি বিষয়টি কার্যবিবরণীভুক্ত করে পুনরায় পেশ করা যেতে পারে লিখে নথিটি সচিবের নিকট ফেরত পাঠাই। কিন্তু সচিব আমার নিকট পুনরায় নথি পেশ না করে পাশ কাটিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে কার্যবিবরণীটির অনুমোদন করিয়ে নেন। এতে আমার অধিকার খর্ব করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে ইসি সচিব মো. আলমগীর বলেন, এটি আনঅফিসিয়াল নোট। এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।