সাংবাদিক মুশফিকের সন্ধান মেলেনি

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:৩৮

নিখোঁজ সাংবাদিক মুশফিকুর রহমানকে পুলিশ গত দুই দিনেও উদ্ধার করতে পারেনি। গত শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশান থেকে মোটরসাইকেলে মিরপুরে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন মোহনা টেলিভিশনের প্রধানমন্ত্রী বিটের সিনিয়র রিপোর্টার ও যুগ্ম বার্তা সম্পাদক মুশফিকুর রহমান। এ ঘটনায় নিখোঁজ সাংবাদিকের মামা এজাবুল হক বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি জিডি করেন। 

গতকাল গুলশান থানার ওসি কামরুজ্জামান বলেন, শনিবার বিকালে মুশফিক তার মামা এজাবুল হকের সঙ্গে দেখা করতে গুলশান-১ নম্বরে আসেন। সেখানে মামার সঙ্গে দেখা করে মিরপুরে বাসায় ফিরতে গুলশান-১ নম্বর গোলচক্করে যান। পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে, মুশফিক অ্যাপসভিত্তিক মোটরসাইকেলে মিরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তবে তার মোবাইল ফোনের কললিস্ট যাচাই করে দেখা গেছে অ্যাপসভিত্তিক কোন মোটরযান তিনি ব্যবহার করেননি। আমরা ধারণা করছি, তিনি গুলশান-১ নম্বর গোলচক্কর থেকে ভাড়ায় কোনো মোটরসাইকেলে রওয়ানা দেন। এ কারণে মোবাইল ফোনের কললিস্টে এরকম কোনো মোবাইল ফোন নম্বরের অস্তিত্ব মেলেনি। 

মুশফিকুর রহমানের মামা এজাবুল হক জানান, সম্প্র্রতি মুশফিক তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার চরগোয়ালী খন্দকার নাজির আহমেদ বহুমুখী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। এ ঘটনার জেরে গত ২১ জুলাই রাতে ০১৭৫৩০৯৭৬৮৩ নম্বর থেকে মুশফিকের ব্যক্তিগত নম্বরে ফোন দিয়ে পরিবারসহ তাকে গুম করার হুমকি দেওয়া হয়। পর দিন মুশফিক বাদী হয়ে পল্লবী থানায় হুমকির বিষয়ে  জিডি করেন।

গতকাল পল্লবী থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, যে নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল, সেটা ছিল ভুয়া রেজিস্ট্রেশন করা। আমরা মোবাইল ফোনের মালিকের ছবি বা ভোটার আইডি কার্ডের কোনো তথ্য পাইনি। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি। ইতিমধ্যে চরগোয়ালী খন্দকার নাজির আহমেদ বহুমুখী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির বেশ কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছি।