>> এস. এন. ইসলাম
মুক্তবাজার অর্থনীতির এই গ্লোবাল ভিলেজের যুগে সর্বত্রই আমরা এক অসম প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি। চলছে একে অপরকে ছাড়িয়ে যাওয়ার তীব্র প্রতিযোগিতা। বিশেষ করে অবাধ বিশ্ব বাণিজ্যের চলমান এই প্রেক্ষাপটে লক্ষ্য এখন কর্মমুখী সময়োপযোগী ডিগ্রি অর্জন করা। তাই সার্বিক বিবেচনায় ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া (www.unisa.ac.bd) যুগ ও চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রেগুলার শিফটের পাশাপাশি সান্ধ্যকালীন শিফট ও সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বিএসসি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, এমবিএ অ্যান্ড এক্সিকিউটিভ এমবিএ ও বিএসসি ইন কম্পিউটার সায়েন্স কোর্স চালু করেছে। এসব কোর্স পরিচালনায় এখানে নিয়োজিত আছেন, একটি দক্ষ ও অভিজ্ঞ পরিচালনা পরিষদ। যাদের নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হচ্ছে, মানসম্পন্ন উচ্চতর শিক্ষা। অপেক্ষাকৃত সীমিত ব্যয়ে দেশব্যাপী গুণগতমানের উচ্চশিক্ষা বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে প্রখ্যাত চিকিত্সক মরহুম প্রফেসর এম এ মতিন ২০০৩ সালে অভিজাত এলাকা বনানীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এর গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান ছিলেন। তার মৃত্যুর পর প্রফেসর এম এ মুহিত চেয়ারম্যান পদে স্থলাভিষিক্ত হন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এটি পরিচালনা করেন।
আধুনিক শিক্ষা কেন্দ্র বলতে কেবল ইমারত সদৃশ আধুনিকতাই নয়, বরং প্রকৃতির নির্মল ছোঁয়াও যেন শিক্ষার্থীর জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উত্স হয়, সেই অভিপ্রায় জন্মলগ্ন থেকেই ধারণ করছেন এর উদ্যোক্তারা। এই অভিপ্রায় ও বিশেষত্বকে সামনে রেখে প্রায় দেড় একর জমির ওপর অনাবিল প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে উঠেছে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া। একই সঙ্গে চলছে এর স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম।
পাশপাশি এদের আছে, কম্পিউটার ল্যাব ও হাইস্পিড ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্লাস রুম, প্রজেক্টর, মাল্টিমিডিয়া, ওভারহেড প্রজেক্টর এবং ডাইরেক্টর প্রজেক্টর এ ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা ও উন্নত ল্যাব, লাইব্রেরি এবং পূর্ণ ও খণ্ডকালীন পর্যাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষক। এখানে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামগুলো হচ্ছে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএসটিই), বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ), আর্টস ইন ইংলিশ লিটারেচর অ্যান্ড কালচার (বিএ অনার্স), কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি (বিসিএসআইটি), এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স (বিইএস)। গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামগুলো হলো মাস্টার অব কম্পিউটার সায়েন্স, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এক্সিকিউটিভ এমবিএ, ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, পাবলিক হেলথ, নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স। এখানে ডিপ্লোমা প্রোগ্রামগুলো হলো, অপটোমেট্রি অ্যান্ড লো ভিশন, কম্পিউটার সায়েন্স। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়টির চেয়ারম্যান প্রফেসর এম এ মুহিত বলেন, ‘প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমশ ভালো করছিল, কিন্তু একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমোন্নতি সহ্য করতে পারছে না। ফলে উদ্দেশ্যমূলকভাবে তারা আমাদের গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছে। দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে এদেরকে রুখতে না পারলে আমরা বিলীন হয়ে যাব।’ তিনি আরো বলেন, ‘কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় আছে অনেক ভালো করছে। প্রয়োজনে আমরা তাদের অনুসরণ করতে পারি। এটা সার্বিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অর্থাত্ প্রাইভেট বিশ্বাবদ্যালয় কনসেপ্টকে সাফল্যমণ্ডিত করবে।’
