ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁও। জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশার কারণে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দেখা মেলেনি সূর্যের। গত কয়েকদিন ধরে সন্ধ্যা নামতে না নামতেই শুরু হয় ঘন কুয়াশা। সেই সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে নাকাল হয়ে পড়েছে সেখানকার জনজীবন। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘর থেকে তেমন বের হচ্ছেনা সাধারণ মানুষ।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা দিকেও মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা গেছে। রাতভর টুপটাপ শব্দে বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা। রাত ৮ টার মধ্যেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে গ্রামের হাট বাজারগুলো। শীত নিবারণের জন্য গরম কাপর কিনতে দোকানগুলোতে ভিড় করছেন অনেকেই। শীতে কাজ করতে অসুবিধা হওয়ায় অনেকটা বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। সেই সাথে শীতে জড়োসড়ো হয়ে গেছে গবাদি পশুও। কেউ কেউ আবার খড়-কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
ঠাকুরগাঁও আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, ‘জেলা প্রশাসন থেকে প্রায় ২ হাজার শীতবস্ত্র আমাদের দিয়েছে। দুই একদিনের মধ্যে এসব বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে।’
ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কম্বল বিতরণের জন্য পাঁচটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের প্রেরণ করেছেন। দু্ই দিনের মধ্যে সেগুলো বিতরণ শুরু হবে। এছাড়াও ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কিছু লেপ তৈরি করা হয়েছে। যারা একেবারে অসহায়, তাদের লেপ ও আর্থিক কিছু নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।’
আরো পড়ুন: নরসিংদীতে ভুয়া দুদক কর্মকর্তা আটক
তিনি আরো বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে নিজ নিজ এলাকার পিআইও অফিসারদের সঙ্গে কথা বলে শীতবস্ত্রের চাহিদা পাঠানোর জন্য।’
ইত্তেফাক/বিএএফ
